ডাঃ মোঃ এস এম ওয়ারেস – নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ, Neonatal & Child Specialist

1 of
Previous Next

Ad Details

  • Ad ID: 3921

  • Added: 10/08/2024

  • Condition:

  • Views: 8033

Description

ডাঃ মোঃ এস এম ওয়ারেস – নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ, দিনাজপুর

আপনার সন্তানের জন্য একজন নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ (Neonatal & Child Specialist) খুঁজছেন? দিনাজপুরে শিশুদের সাধারণ ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় পরামর্শের জন্য ডাঃ মোঃ এস এম ওয়ারেস সম্পর্কে তথ্য জানতে পারেন। অনলাইনে পাওয়া সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, তিনি MBBS, FCPS (Paediatrics) এবং দিনাজপুরের শিশু চিকিৎসা সেবার সঙ্গে যুক্ত একজন চিকিৎসক।

অনলাইনে প্রকাশিত চিকিৎসক-তথ্য অনুযায়ী, ডাঃ এস এম ওয়ারেস দিনাজপুরের Green Diagnostic Center-এ রোগী দেখেন এবং অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ০১৭১২-৫২৭৫০৮ নম্বরটি উল্লেখ করা হয়েছে। চেম্বারের সময়সূচি ও সেবা নেওয়ার আগে ফোনে সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিত করা উচিত।

ডাঃ মোঃ এস এম ওয়ারেস সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য

তথ্য বিবরণ
নাম ডাঃ মোঃ এস এম ওয়ারেস
ইংরেজি নাম Dr. S. M. Wares / Dr. Md. SM Wares
বিশেষত্ব নবজাতক ও শিশু রোগ
যোগ্যতা MBBS, FCPS (Paediatrics)
চেম্বার Green Diagnostic Center, Dinajpur
সিরিয়াল/অ্যাপয়েন্টমেন্ট ০১৭১২-৫২৭৫০৮
ঠিকানা Green Diagnostic Center, মুন্সিপাড়া, দিনাজপুর—প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী
চেম্বারের সময় যাওয়ার আগে ফোন করে নিশ্চিত করুন

প্রকাশিত বিভিন্ন উৎসে তাঁর পদবি ও কর্মস্থল সম্পর্কিত তথ্যে কিছু পার্থক্য দেখা যায়। একটি সাম্প্রতিক হাসপাতাল-সংক্রান্ত প্রোফাইলে তাঁকে সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (অবঃ), শিশু বিভাগ, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই চিকিৎসকের বর্তমান পদবি বা কর্মস্থল উল্লেখ করার ক্ষেত্রে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

নবজাতক ও শিশুদের শারীরিক প্রয়োজন বড়দের তুলনায় আলাদা। জন্মের পরের প্রথম কয়েক সপ্তাহে খাওয়ানো, ওজন বৃদ্ধি, জন্ডিস, সংক্রমণের লক্ষণ, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং সামগ্রিক বিকাশ পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) নির্দেশনায় জন্মের পর নবজাতকের শারীরিক অবস্থা, জন্মজনিত সমস্যা, সংক্রমণের লক্ষণ, খাওয়ানোর সমস্যা, জন্ডিস, ওজন ও বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তাই নবজাতক বা শিশুর কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিলে নিজে থেকে ওষুধ দেওয়ার পরিবর্তে যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ পদ্ধতি।

কোন কোন সমস্যায় শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে?

শিশুর বয়স, উপসর্গ এবং শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে শিশু বিশেষজ্ঞ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মূল্যায়ন করতে পারেন। যেমন:

  • নবজাতকের স্বাস্থ্য সমস্যা
  • জন্মের পর খাওয়ানোর সমস্যা
  • নবজাতকের জন্ডিস
  • জ্বর ও সংক্রমণ
  • সর্দি, কাশি ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা
  • হাঁপানি বা অ্যালার্জি
  • শিশুর ওজন ও শারীরিক বৃদ্ধি
  • পুষ্টি ও খাদ্যসংক্রান্ত সমস্যা
  • শিশুর বিকাশসংক্রান্ত বিষয়
  • বারবার অসুস্থ হওয়া
  • বয়স অনুযায়ী টিকাদান সম্পর্কে পরামর্শ
  • দীর্ঘস্থায়ী বা পুনরাবৃত্ত শিশু রোগ

তবে প্রতিটি সমস্যার চিকিৎসা শিশুর বয়স, ওজন, উপসর্গ ও পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে। অনলাইনে পাওয়া সাধারণ তথ্যকে ব্যক্তিগত চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

নবজাতকের ক্ষেত্রে কখন দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন?

নবজাতকের ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে নিচের কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

  • শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
  • দুধ খেতে না পারা বা খুব দুর্বলভাবে খাওয়া
  • অস্বাভাবিকভাবে নিস্তেজ হয়ে যাওয়া
  • শরীরের তাপমাত্রায় অস্বাভাবিকতা
  • জন্ডিসের লক্ষণ বৃদ্ধি পাওয়া
  • খিঁচুনি
  • সংক্রমণের সন্দেহ
  • শিশুর স্বাভাবিক আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন

WHO নবজাতকের প্রথম দিকের ফলোআপে সংক্রমণের লক্ষণ, feeding difficulty, জন্ডিস, ওজন এবং সামগ্রিক অবস্থার মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেয়।

শিশুদের টিকাদান কেন গুরুত্বপূর্ণ?

শিশুর সুস্থতা রক্ষায় নিয়মিত টিকাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে Expanded Programme on Immunization (EPI)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন টিকা দেওয়া হয় এবং WHO বলছে বাংলাদেশ বহু বছর ধরে নিয়মিত টিকাদানে উচ্চ কভারেজ বজায় রেখেছে, যদিও কিছু এলাকায় এখনও টিকাদানের ঘাটতি রয়েছে।

২০২৬ সালে বাংলাদেশে হাম-রুবেলার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পর সরকার ও অংশীদাররা জরুরি টিকাদান কার্যক্রমও পরিচালনা করেছে। WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী measles-rubella vaccination campaign চালু করা হয়।

তাই আপনার সন্তানের টিকা নেওয়ার তথ্য সংরক্ষণ করুন এবং কোনো টিকা বাদ পড়লে কীভাবে catch-up vaccination করা যায়, সে বিষয়ে চিকিৎসক বা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরামর্শ নিন।

শিশুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অভিভাবকদের করণীয়

শুধু অসুস্থ হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পাশাপাশি শিশুর নিয়মিত স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ।

১. শিশুর বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করুন

নিয়মিত শিশুর ওজন, উচ্চতা এবং বয়স অনুযায়ী বিকাশ পর্যবেক্ষণ করুন।

২. পুষ্টিকর খাবারে গুরুত্ব দিন

শিশুর বয়স অনুযায়ী উপযুক্ত ও বৈচিত্র্যময় খাবার নিশ্চিত করুন। শিশুর খাদ্যতালিকা নিয়ে সন্দেহ থাকলে শিশু বিশেষজ্ঞ বা প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিন।

৩. টিকা সময়মতো দিন

টিকাদানের কার্ড সংরক্ষণ করুন এবং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী টিকা দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৪. শিশুর অসুস্থতাকে অবহেলা করবেন না

বারবার জ্বর, শ্বাসকষ্ট, খাওয়ার সমস্যা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা অন্য কোনো পুনরাবৃত্ত উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক দেবেন না

শিশুর অসুস্থতার কারণ না জেনে নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য প্রেসক্রিপশন ওষুধ দেওয়া উচিত নয়।

ডাঃ মোঃ এস এম ওয়ারেসের চেম্বার ও সিরিয়াল

অনলাইনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ডাঃ এস এম ওয়ারেস Green Diagnostic Center, Dinajpur-এ চেম্বার করেন। অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ০১৭১২-৫২৭৫০৮ নম্বরটি একাধিক অনলাইন উৎসে উল্লেখ করা হয়েছে।

চেম্বার: Green Diagnostic Center, Dinajpur
সিরিয়াল: ০১৭১২-৫২৭৫০৮

গুরুত্বপূর্ণ: চিকিৎসকের রোগী দেখার সময়, চেম্বার এবং সিরিয়াল নম্বর পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যাওয়ার আগে ফোন করে বর্তমান সময়সূচি ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের তথ্য