দিনাজপুর জেলা কেন বিখ্যাত

admin 10/24/2024 No Comments

দিনাজপুর জেলা কেন বিখ্যাত

দিনাজপুর জেলা কেন বিখ্যাত? বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা হলো দিনাজপুর। প্রথমত, এই জেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও কৃষির জন্য পরিচিত। এছাড়া, দিনাজপুর লিচু উৎপাদনের জন্য সারা দেশে বিখ্যাত। বাংলাদেশের লিচুর বড় অংশ এই অঞ্চল থেকে আসে। পাশাপাশি, কাটারিভোগ চাল ও চিড়া দিনাজপুরের বিশেষ পরিচয় বহন করে। অন্যদিকে, এখানকার ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোও পর্যটকদের আকর্ষণ করে। তাই, দিনাজপুর বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা। দিনাজপুর জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ দিনাজপুরে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এর মধ্যে, রামসাগর দিঘী, কান্তজির মন্দির ও নয়াবাদ মসজিদ উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, আরও কিছু স্থান পর্যটকদের আকর্ষণ করে।। এর মধ্যে, রামসাগর দিঘী, কান্তজির মন্দির ও নয়াবাদ মসজিদ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, স্বপ্নপুরী ও দীপশিখা স্কুলও জনপ্রিয়। দিনাজপুর রাজবাড়ী দিনাজপুর রাজবাড়ী একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনা। এই কারণে, এটি জেলার পুরোনো ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে।। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরও রাজবাড়ীটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছে। বর্তমানে, এই স্থানটি দর্শনার্থীদের কাছে একটি আকর্ষণীয় জায়গা। রামসাগর দিঘী রামসাগর দিঘী বাংলাদেশের অন্যতম বড় মানবসৃষ্ট দিঘী। এটি দিনাজপুর জেলার একটি বিখ্যাত

Read More

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা শিশু পার্ক

01744745405 10/23/2024 No Comments

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা শিশু পার্ক

বীরগঞ্জ উপজেলা শিশু পার্ক দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় শিশু বিনোদন কেন্দ্র। এই পার্কটি এলাকাবাসীর জন্য বিশেষ করে শিশুদের মনোরঞ্জন ও শারীরিক বিকাশের সুযোগ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয়েছে। পার্কটি শিশুদের পাশাপাশি পরিবারের সব বয়সী মানুষের জন্যও আকর্ষণীয় একটি স্থান হয়ে উঠেছে। স্থাপনার পটভূমি বীরগঞ্জ উপজেলা শিশু পার্কের প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল উপজেলাবাসী, বিশেষ করে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ এবং সুন্দর বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা। এলাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং শহরাঞ্চলে শিশুদের জন্য খেলার জায়গার সংকটকে কেন্দ্র করে, পার্কটি তৈরি করা হয়েছে যাতে শিশুদের মানসিক এবং শারীরিক বিকাশে সহায়তা করা যায়। এটি স্থানীয় প্রশাসনের এবং এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার একটি সফল উদ্যোগ। আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা বীরগঞ্জ শিশু পার্কটি বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। পার্কে শিশুদের জন্য দোলনা, স্লাইড, সী-সো সহ বিভিন্ন রাইড এবং খেলার উপকরণ রয়েছে। এছাড়াও, পার্কে হাঁটার জন্য সুন্দর পথ, বসার ব্যবস্থা এবং সবুজের মাঝে খোলা জায়গা রয়েছে যা শিশু এবং তাদের পরিবারকে আনন্দ উপভোগ করতে

Read More

সিংড়া ফরেস্ট দিনাজপুর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যে

01744745405 10/23/2024 No Comments

সিংড়া ফরেস্ট দিনাজপুর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যে

সিংড়া বন দিনাজপুর বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শন হলো সিংড়া বন দিনাজপুর। এটি দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার একটি জনপ্রিয় পর্যটন স্থান। বিশাল শালবন, সবুজ গাছপালা এবং পাখির কলকাকলি এই বনকে বিশেষ আকর্ষণীয় করেছে। এখানে এলে প্রকৃতির শান্ত পরিবেশ খুব কাছ থেকে অনুভব করা যায়। অনেক পর্যটক সিংড়া বনকে উত্তরবঙ্গের সুন্দরবন বলে থাকেন। কারণ এই বনের ঘন গাছপালা, জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সবাইকে মুগ্ধ করে। শহরের ব্যস্ত জীবন থেকে কিছু সময় দূরে কাটাতে চাইলে সিংড়া বন হতে পারে একটি আদর্শ ভ্রমণ স্থান।   সিংড়া ফরেস্টের পরিচয় সিংড়া ফরেস্ট বা সিংড়া জাতীয় উদ্যান দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। অন্যদিকে, বীরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার। সিংড়া বন প্রায় ৮৫৬ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত। এর মধ্যে প্রায় ৭৫৬ একর জায়গাকে ২০১০ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে এটি দিনাজপুরের অন্যতম পরিচিত প্রাকৃতিক পর্যটন কেন্দ্র। বনের মাঝ দিয়ে বয়ে

Read More

দীপশিখা মেটি স্কুল দিনাজপুর

admin 10/07/2024 No Comments

দীপশিখা মেটি স্কুল দিনাজপুর

দীপশিখা মেটি স্কুল দিনাজপুর, দিনাজপুর জেলা থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে বিরল উপজেলার রুদ্রপুরে অবস্থিত দীপশিখা স্কুল (Dipshikha School) মাটির তৈরি একটি ভিন্নধর্মী বিদ্যানিকেতন। স্থানীয় মানুষের ঐতিহ্য ও পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে এই বিদ্যালয়ে। রুদ্রপুর গ্রামের শিশুদের প্রায় ৭ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হতো। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশুনা বাদ দিয়ে কৃষি বা অন্যান্য কাজে জড়িয়ে পড়ত। ২০০২ সালে রুদ্রপুর গ্রামে গবেষণার কাজে অস্ট্রেলিয়ার লিজ ইউনিভার্সিটি থেকে Anna Herigar সহ আরো ১০ জন শিক্ষার্থী আসেন। গবেষণা শেষে অন্যরা ফিরে গেলেও Anna Herigar তাঁর গবেষণা ও স্থাপত্যবিদ্যা কাজে লাগিয়ে রুদ্রপুরের অনুন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসারের লক্ষ্যে একটি স্কুল বানানোর পরিকল্পনা করেন। তাঁর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে আসে জার্মানির উন্নয়ন সংস্থার আধুনিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশের বেসরকারি সেবা সংস্থা দীপশিখা। যার ফলশ্রুতিতে ২০০৬ সালে METI Handmade School নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় কাচামাল, বাঁশ ও কাদামাটি দিয়ে নির্মিত দীপশিখা মেটি স্কুল (Dipshikha Meti School) হিসেবে অধিক পরিচিত। সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ৮,০০০ বর্গফুটের দোতালা

Read More

স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট দিনাজপুর

admin 02/21/2018 No Comments

স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট দিনাজপুর

স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট দিনাজপুর, ১৯৮৯ সালে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার আফতাফগঞ্জে  এক মৃত জলাশয়কে পিকনিক স্পটে রূপান্তরিত করে তাতে প্রাণ দেয়া হয়েছে। নাম দেয়া হয়েছে স্বপ্নপুরী। ১৯৯০ সাল থেকে এর বাস্তবায়ন শুরু হয়। ইচ্ছে হলে আপনি ইট-পাথরের যান্ত্রিক কর্মব্যস্ততা থেকে ক্লান্ত, বিপর্যস্ত দেহ-মনকে এই পিকনিক স্পষ্ট স্বপ্নপুরীতে ক্লান্তি জুড়াতে, আনন্দ-উল্লাস করে বিসর্জন দিতে পারেন মানসিক বিপর্যস্ততাকে। জানতে পারেন জীব-জগতের, উপলব্ধি করতে পারেন আপনজনদের। আত্মপলব্ধির মধ্য দিয়ে বিকাশ ঘটাতে পারেন মানবতার, অবারিত আত্মিক উন্নয়নের দ্বার সভ্যতাকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে পারেন। দেশ-বিদেশের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এই স্বপ্নপুরী দর্শনে মুগ্ধ হয়েছেন। মোট ৪০০ বিঘা জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে স্বপ্নপুরীর স্বপ্নের জগত। দিনাজপুর সদর থেকে মাত্র ৫২ কিলোমিটার আর ঢাকা থেকে ৩২০ কিলোমিটার দূরত্বে স্বপ্নপুরী অবস্থিত। স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট দিনাজপুর, স্বপ্নপুরী পিকনিক স্পট (Shopnopuri Artificial Amusement Park) বা বিনোদন কেন্দ্রটি দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আফতাবগঞ্জে প্রায় ৪০০ একর ভূমির উপর গড়ে তোলা হয়েছে। সড়কপথে দিনাজপুর থেকে স্বপ্নপুরী দূরত্ব প্রায় ৫২ কিলোমিটার।

Read More

রামসাগর দিনাজপুর – এক ঐতিহাসিক প্রাকৃতিক বিস্ময়

admin 02/17/2018 No Comments

রামসাগর দিনাজপুর – এক ঐতিহাসিক প্রাকৃতিক বিস্ময়

📍 রামসাগর দিঘির অবস্থান ও পরিচিতি দিনাজপুর সদর থেকে রামসাগর দিঘি প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। অন্যদিকে, এটি দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ৫ মাইল দক্ষিণে। এখানে শুধু একটি জলাধার নয়, একটি মনোরম পার্কও রয়েছে। তাছাড়া, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখানে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। 🏛️ ইতিহাস ও নির্মাণ ঐতিহাসিকদের মতে, রাজা রামনাথ এই দিঘি খনন করেন। তাঁর রাজত্বকাল ছিল ১৭২২ থেকে ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ। পলাশী যুদ্ধের আগেই এই দিঘি খনন করা হয়। এটি ১৭৫০ থেকে ১৭৫৫ সালের মধ্যে সম্পন্ন হয়। ফলে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিদর্শন হয়ে ওঠে। 💰 খননের তথ্য তৎকালীন সময়ে প্রায় ৩০,০০০ টাকা ব্যয় হয়।এছাড়া প্রায় ১৫,০০,০০০ শ্রমিক কাজ করেন। 🌿 রামসাগর জাতীয় উদ্যান রামসাগর জাতীয় উদ্যানে একটি মিনি চিড়িয়াখানা রয়েছে। এখানে অজগর, বানর এবং হরিণ দেখা যায়। এছাড়া, শিশুদের জন্য একটি শিশুপার্ক আছে।পরিবার নিয়ে ঘোরার জন্য এটি একটি ভালো জায়গা। পিকনিকের জন্য এখানে ৭টি পিকনিক কর্নার রয়েছে।অন্যদিকে, এখানে একটি গ্রন্থাগারও গড়ে তোলা হয়েছে। 🚗 কিভাবে যাবেন ঢাকা থেকে কমলাপুর রেলওয়ে

Read More