ডাঃ মোঃ রোকনুজ্জামান খান: দিনাজপুরের ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

1 of
Previous Next

Ad Details

  • Ad ID: 3640

  • Added: 09/30/2024

  • Condition:

  • Views: 1074

Description

Dr. Md. Rokonuzzaman Khan: দিনাজপুরের ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসা সেবা ও চেম্বারের তথ্য

নিচে আপনার দেওয়া মূল আর্টিকেলের তথ্য ধরে WordPress-এ প্রকাশের উপযোগী করে লেখাটি পুনর্লিখন করা হয়েছে। চিকিৎসকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বর্তমান পদবি, চেম্বারের সময় ও ফোন নম্বরের মতো পরিবর্তনশীল তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা চেম্বার থেকে যাচাই করা উচিত।

Dr. Md. Rokonuzzaman Khan সম্পর্কে বিস্তারিত

ডা. মোঃ রোকনুজ্জামান খান দিনাজপুরের একজন ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন হিসেবে বিভিন্ন চিকিৎসক ডিরেক্টরিতে তালিকাভুক্ত। প্রকাশিত প্রোফাইল অনুযায়ী, তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে এমবিবিএস (ঢাকা) ও এমএস (ইউরোলজি) উল্লেখ রয়েছে। মূল আর্টিকেলে তাঁকে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দিনাজপুরের ইউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

SqtipsBD
+1

কিডনিতে পাথর, প্রস্রাবের সমস্যা, প্রোস্টেট গ্রন্থির জটিলতা কিংবা মূত্রাশয়ের রোগের জন্য সঠিক বিশেষজ্ঞ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। এই লেখায় ডা. মোঃ রোকনুজ্জামান খানের পরিচিতি, বিশেষায়িত চিকিৎসার ক্ষেত্র, প্রকাশিত চেম্বারের তথ্য, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি এবং কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন—এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

Dr. Md. Rokonuzzaman Khan এর পরিচিতি

প্রোফাইল ও চেম্বারের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যাচাই করে নিন।

বিষয়

তথ্য

নাম

Dr. Md. Rokonuzzaman Khan

বাংলা নাম

ডা. মোঃ রোকনুজ্জামান খান

বিশেষত্ব

ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা

এমবিবিএস (ঢাকা), এমএস (ইউরোলজি)—প্রকাশিত প্রোফাইল অনুযায়ী

উল্লেখিত পদবি

সহকারী অধ্যাপক, ইউরোলজি বিভাগ

উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান

এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দিনাজপুর

পূর্ববর্তী কর্মস্থল

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা—প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী

গুরুত্বপূর্ণ: অনলাইনে প্রকাশিত চিকিৎসক-তথ্যে কর্মস্থল ও পদবি সম্পর্কে ভিন্নতা থাকতে পারে। তাই বর্তমান কর্মস্থল, পদবি ও ডিগ্রির তথ্য হাসপাতাল বা চিকিৎসকের চেম্বার থেকে নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।

ইউরোলজি কী এবং ইউরোলজিস্ট কোন রোগের চিকিৎসা করেন?

ইউরোলজি হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের এমন একটি বিশেষ শাখা, যেখানে কিডনি, মূত্রনালি, মূত্রাশয়, ইউরেটার এবং পুরুষদের প্রজননতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়।

একজন ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ সাধারণত যেসব সমস্যার মূল্যায়ন করেন:

  • কিডনি ও মূত্রনালিতে পাথর।

  • প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা।

  • ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া কিংবা প্রস্রাবের প্রবাহ দুর্বল হয়ে যাওয়া।

  • প্রস্রাবে রক্ত দেখা।

  • প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়াজনিত সমস্যা।

  • মূত্রাশয়ের বিভিন্ন রোগ।

  • পুরুষদের প্রজননতন্ত্রের নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা।

  • প্রয়োজন অনুযায়ী ইউরোলজিক্যাল সার্জারি ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ফলোআপ।

রোগীর উপসর্গ, শারীরিক অবস্থা ও পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং উপযুক্ত চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ধারণ করেন।

ডা. মোঃ রোকনুজ্জামান খানের বিশেষায়িত চিকিৎসার ক্ষেত্র

১. কিডনিতে পাথর বা Kidney Stone

কিডনিতে খনিজ ও লবণের কণা জমে পাথর তৈরি হতে পারে। পাথরের আকার ও অবস্থান অনুযায়ী কারও কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে, আবার কারও তীব্র ব্যথা বা প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিতে পারে।

সাধারণ উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • কোমরের এক পাশে বা পিঠে ব্যথা।

  • ব্যথা তলপেট বা কুঁচকির দিকে ছড়িয়ে পড়া।

  • প্রস্রাবে রক্ত দেখা।

  • বমি বমি ভাব বা বমি।

  • প্রস্রাবের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন।

চিকিৎসার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম, প্রস্রাব পরীক্ষা বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হতে পারে। পাথরের আকার, অবস্থান ও জটিলতা অনুসারে পর্যবেক্ষণ, ওষুধ কিংবা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।

২. প্রোস্টেট গ্রন্থির সমস্যা

প্রোস্টেট হলো পুরুষদের মূত্রথলির নিচে অবস্থিত একটি গ্রন্থি। বয়স বাড়ার সঙ্গে এটি বড় হতে পারে এবং মূত্রত্যাগে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

সম্ভাব্য লক্ষণ:

  • প্রস্রাব শুরু করতে দেরি হওয়া।

  • প্রস্রাবের ধারা দুর্বল হওয়া।

  • ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রয়োজন হওয়া।

  • রাতে বারবার প্রস্রাব করতে ওঠা।

  • প্রস্রাব শেষ হওয়ার পরও মূত্রথলি পুরোপুরি খালি হয়নি বলে মনে হওয়া।

এসব উপসর্গের অন্য কারণও থাকতে পারে। তাই শুধু লক্ষণ দেখে প্রোস্টেটের রোগ নির্ধারণ করা উচিত নয়। চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা করে চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করেন।

৩. মূত্রাশয় ও প্রস্রাবের সমস্যার চিকিৎসা

মূত্রাশয় প্রস্রাব জমা রাখে এবং নির্দিষ্ট সময়ে তা শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে। মূত্রাশয়ের সংক্রমণ, পাথর, প্রস্রাব ধরে রাখতে অসুবিধা কিংবা মূত্রত্যাগে বাধার মতো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলেই যে সব ক্ষেত্রে একই ধরনের সংক্রমণ হয়েছে, তা নয়। সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য রোগীর ইতিহাস, উপসর্গ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

৪. ইউরেটার ও মূত্রনালির রোগ

কিডনি থেকে মূত্রাশয়ে প্রস্রাব পৌঁছায় ইউরেটারের মাধ্যমে। এই পথে পাথর বা অন্য কোনো বাধা সৃষ্টি হলে ব্যথা, প্রস্রাবের প্রবাহে সমস্যা কিংবা কিডনির কার্যকারিতায় প্রভাব পড়তে পারে।

সমস্যার ধরন অনুসারে চিকিৎসক পর্যবেক্ষণ, ওষুধ, এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতি বা অন্য চিকিৎসা বিবেচনা করতে পারেন।

৫. ইউরোলজি সার্জারি

কিছু ইউরোলজিক্যাল রোগে অস্ত্রোপচার বা বিশেষ প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। তবে সব রোগীর জন্য অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় না।

চিকিৎসার পদ্ধতি নির্ধারণের সময় বিবেচনা করা হয়:

  • রোগের ধরন ও তীব্রতা।

  • পাথর বা বাধার অবস্থান।

  • কিডনির কার্যকারিতা।

  • রোগীর বয়স ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য।

  • সম্ভাব্য সুবিধা, ঝুঁকি এবং বিকল্প চিকিৎসা।

ডা. মোঃ রোকনুজ্জামান খান নির্দিষ্ট কোন কোন অস্ত্রোপচার বর্তমানে করে থাকেন, তা সরাসরি তাঁর কর্মস্থল বা চেম্বার থেকে নিশ্চিত করা উচিত।

ডা. মোঃ রোকনুজ্জামান খানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবন

প্রকাশিত চিকিৎসক-তালিকায় তাঁর নামের সঙ্গে এমবিবিএস (ঢাকা) ও এমএস (ইউরোলজি) ডিগ্রি উল্লেখ রয়েছে। মূল আর্টিকেলে তাঁকে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং সাবেক শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত অভিজ্ঞতা ও বর্তমান কর্মস্থল সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানা রোগীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব তথ্য যাচাই করে নিন।

ডা. মোঃ রোকনুজ্জামান খানের চেম্বারের ঠিকানা ও সিরিয়াল নম্বর

মূল আর্টিকেল এবং অনলাইনে প্রকাশিত কয়েকটি চিকিৎসক-তালিকায় নিচের চেম্বারের তথ্য পাওয়া যায়।

ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন, Dinajpur
+1

চেম্বারের তথ্য

ঠিকানা ঃ ৪র্থ তলা, রুম নং ৪০১, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দিনাজপুর।

প্রকাশিত রোগী দেখার সময়

প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা।

বর্তমান সময়সূচি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ

০১৭৪৬-৩৫৭১১৩

নম্বরটি কার্যকর আছে কি না এবং এই চেম্বারের জন্য প্রযোজ্য কি না, ফোন করে যাচাই করুন।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে যা করবেন

1. ফোন করে চিকিৎসকের বর্তমান চেম্বার ও রোগী দেখার সময় নিশ্চিত করুন।

2. সিরিয়াল নেওয়ার নিয়ম এবং পরামর্শ ফি জেনে নিন।

3. আগের চিকিৎসার কাগজপত্র, পরীক্ষার রিপোর্ট এবং বর্তমানে ব্যবহৃত ওষুধের তালিকা সঙ্গে রাখুন।

4. নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন।

5. চেম্বারের সময়সূচি পরিবর্তিত হলে নতুন সময় অনুযায়ী যাওয়ার পরিকল্পনা করুন।

নোট: অনলাইনে প্রকাশিত সময়সূচি পরিবর্তিত হতে পারে। ফোনে নিশ্চিত না হয়ে শুধু পুরোনো তথ্যের ওপর নির্ভর করে যাত্রা করা উচিত নয়।

কখন ইউরোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন?

নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন:

  • বারবার প্রস্রাবের সমস্যা হওয়া।

  • প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া।

  • প্রস্রাবের ধারা দুর্বল হয়ে যাওয়া।

  • কোমর বা পিঠের এক পাশে বারবার ব্যথা হওয়া।

  • প্রস্রাবে রক্ত দেখা।

  • কিডনিতে পাথর শনাক্ত হওয়া।

  • প্রোস্টেটজনিত উপসর্গ দেখা দেওয়া।

  • বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ হওয়া।

যেসব লক্ষণে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন

কিছু উপসর্গ সাধারণ চেম্বারের অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অপেক্ষা না করে জরুরি বিভাগে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

  • প্রস্রাব একেবারেই বন্ধ হয়ে যাওয়া।

  • তীব্র কোমর বা পাশের ব্যথার সঙ্গে জ্বর বা কাঁপুনি।

  • প্রস্রাবে রক্তের সঙ্গে রক্তের জমাট বের হওয়া বা প্রস্রাব আটকে যাওয়া।

  • বারবার বমি হওয়ার কারণে পানি পান করতে না পারা এবং তীব্র ব্যথা থাকা।

এসব পরিস্থিতিতে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন। বিশেষ করে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে বা জ্বরসহ তীব্র ব্যথা হলে অপেক্ষা করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

ইউরোলজি চিকিৎসার আগে কোন পরীক্ষাগুলো প্রয়োজন হতে পারে?

সব রোগীর জন্য একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসক উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী পরীক্ষা নির্ধারণ করেন।

পরীক্ষার নাম

কেন করা হতে পারে

প্রস্রাব পরীক্ষা

সংক্রমণ, রক্ত বা অন্যান্য অস্বাভাবিকতা শনাক্ত করতে

প্রস্রাবের কালচার

প্রয়োজন হলে সংক্রমণের জীবাণু শনাক্ত করতে

আল্ট্রাসনোগ্রাম

কিডনি, মূত্রাশয় ও কিছু ক্ষেত্রে প্রোস্টেট মূল্যায়নে

রক্তের ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা

কিডনির কার্যকারিতা মূল্যায়নে

সিটি স্ক্যান

নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পাথর বা অন্য জটিলতা শনাক্ত করতে

ইউরোফ্লোমেট্রি

প্রস্রাবের প্রবাহ মূল্যায়নে, যখন প্রয়োজন হয়

পরীক্ষার ফলাফল নিজে ব্যাখ্যা করে ওষুধ শুরু না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

দিনাজপুরে অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তথ্য

আপনার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অন্যান্য চিকিৎসকের প্রোফাইলের সঙ্গে এই আর্টিকেলটির স্বাভাবিক অভ্যন্তরীণ লিংক যুক্ত করতে পারেন। পাঠক যেন প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরিচিতি, বিশেষত্ব এবং চেম্বারের তথ্য দেখতে পারেন।

  • ডা. সমীরণ কুন্ডু — চিকিৎসক পরিচিতি

  • ডা. মোঃ এস. এম. ওয়ারিস — চিকিৎসক পরিচিতি

  • ডা. সাকি মোঃ জাকিউল আলম — চিকিৎসক পরিচিতি

  • ডা. শাহাব আহমেদ — চিকিৎসক পরিচিতি

  • ডা. ডি. সি. রায় — চিকিৎসক পরিচিতি

প্রকাশের আগে যাচাই করুন: লিংকগুলো আপনার ওয়েবসাইটে সঠিকভাবে কাজ করছে কি না। উপরের URL-গুলো আপনার দেওয়া স্লাগের ভিত্তিতে লেখা; সাইটের প্রকৃত পারমালিংক আলাদা হলে সেগুলো সংশোধন করুন।

ইউরোলজি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র

রোগ, উপসর্গ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা সম্পর্কে আরও জানতে নিচের স্বাস্থ্যবিষয়ক উৎসগুলো দেখতে পারেন।

  • — ইউরোলজি ও মূত্রতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে রোগীবান্ধব তথ্য।

  • — রোগের লক্ষণ, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা সম্পর্কে তথ্য।

  • — বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার লক্ষণ ও চিকিৎসা বিষয়ে নির্দেশনামূলক তথ্য।

এই ওয়েবসাইটগুলো সাধারণ স্বাস্থ্যতথ্যের জন্য সহায়ক। এগুলোর তথ্য ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. ডা. মোঃ রোকনুজ্জামান খান কোন রোগের বিশেষজ্ঞ?

প্রকাশিত প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন। ইউরোলজির আওতায় কিডনি, ইউরেটার, মূত্রাশয়, প্রস্রাবের রাস্তা এবং পুরুষদের প্রজননতন্ত্রের নির্দিষ্ট কিছু রোগের মূল্যায়ন ও চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত।

২. ডা. রোকনুজ্জামান খানের চেম্বার কোথায়?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তাঁর চেম্বার এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দিনাজপুরের ৪র্থ তলায়, রুম নম্বর ৪০১-এ। যাওয়ার আগে বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে নিন।

৩. তাঁর রোগী দেখার সময় কখন?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রোগী দেখার সময় বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা। তবে প্রতিদিন এই সময় কার্যকর কি না, তা আগে ফোন করে জেনে নেওয়া উচিত।

৪. কীভাবে সিরিয়াল নেওয়া যাবে?

মূল আর্টিকেলে সিরিয়ালের জন্য ০১৭৪৬-৩৫৭১১৩ নম্বরটি দেওয়া হয়েছে। নম্বরটি বর্তমানে কার্যকর এবং সংশ্লিষ্ট চেম্বারের জন্য সঠিক কি না, তা নিশ্চিত করে যোগাযোগ করুন।

৫. কিডনিতে পাথর হলে কি অস্ত্রোপচার করতেই হবে?

না। সব কিডনি পাথরের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় না। পাথরের আকার, অবস্থান, উপসর্গ এবং জটিলতার ওপর নির্ভর করে চিকিৎসক পর্যবেক্ষণ, ওষুধ বা কোনো প্রক্রিয়ার পরামর্শ দিতে পারেন।

৬. প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে কি ইউরোলজিস্ট দেখাতে হবে?

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া সংক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে হতে পারে। সমস্যা স্থায়ী হলে, বারবার হলে বা অন্য উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। জ্বর, তীব্র ব্যথা বা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।

৭. চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময় কী কী কাগজপত্র নিতে হবে?

আগের প্রেসক্রিপশন, পরীক্ষার রিপোর্ট, ব্যবহৃত ওষুধের তালিকা এবং উপসর্গ শুরুর সময় সম্পর্কে তথ্য সঙ্গে নিন। এতে চিকিৎসকের পক্ষে আপনার সমস্যার ইতিহাস বুঝতে সুবিধা হবে।

উপসংহার

ডা. মোঃ রোকনুজ্জামান খান সম্পর্কে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন হিসেবে পরিচিত। কিডনিতে পাথর, প্রস্রাবের সমস্যা, প্রোস্টেট এবং মূত্রাশয়ের বিভিন্ন সমস্যায় সঠিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, বর্তমান কর্মস্থল, চেম্বারের ঠিকানা, রোগী দেখার সময় ও সিরিয়াল নম্বর অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে যাচাই করে নিন।