আইটি ভ্যানিলা ট্রেনিং সেন্টার দিনাজপুর
Boyta abed 11/02/2024 No Comments

আইটি ভ্যানিলা ট্রেনিং সেন্টার দিনাজপুর, বর্তমান ডিজিটাল যুগে তথ্যপ্রযুক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। প্রত্যেকটি সেক্টরেই প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, আর সেই সাথে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার গুরুত্বও ক্রমশ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে, দিনাজপুরে অবস্থিত **আইটি ভ্যানিলা ট্রেনিং সেন্টার** একটি অন্যতম আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দিনাজপুর একটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইটি ভ্যানিলা ট্রেনিং সেন্টারের মূল লক্ষ্য হল প্রযুক্তি শিক্ষাকে সহজলভ্য ও কার্যকর করে তোলা। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, কাজের বাজারে প্রতিযোগিতা, এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। ট্রেনিং কোর্স ও সেবাসমূহ আইটি ভ্যানিলা ট্রেনিং সেন্টার বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং কোর্স প্রদান করে, যা শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজারে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করার সুযোগ করে দেয়। তাদের কিছু জনপ্রিয় কোর্সের মধ্যে রয়েছে: ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট শিক্ষার্থীদের ওয়েবসাইট তৈরির প্রাথমিক থেকে উন্নত স্তরের শিক্ষাদান করা হয়। HTML, CSS, JavaScript, এবং অন্যান্য ওয়েব টেকনোলজির উপর বিশদ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। গ্রাফিক ডিজাইন আইটি ভ্যানিলা ট্রেনিং সেন্টার দিনাজপুর ,এই কোর্সে
Read Moreদিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মাতাসাগর শেখপুরা
Boyta abed 11/02/2024 No Comments

দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মাতাসাগর শেখপুরা , দেশের এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র, যেখানে তরুণ-তরুণীদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং পেশাগত দক্ষতার জন্য উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।বাংলাদেশে যেমন বিনোদন জগতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, তেমনই দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রযুক্তিগত শিক্ষার ক্ষেত্রে এক মাইলফলক। এখানে দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মাতাসাগর শেখপুরা, এই কেন্দ্রে মেশিন অপারেশন, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনসহ বিভিন্ন কারিগরি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি যুব সমাজকে কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশব্যাপী কারিগরি শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়নে দিনাজপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অনন্য অবদান রেখে চলেছে। উত্তরবঙ্গের ছাত্রছাত্রীরা এখানে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন, যা তাদের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক হতে সাহায্য করে। যেমন একজন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে দক্ষ হতে চাইলে প্রযুক্তিগত দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই বিভিন্ন পেশায় সফল হতে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ গ্রহণ অত্যন্ত কার্যকর। তরুণ প্রজন্মের জন্য
Read Moreদিনাজপুর কালিয়া জীউ মন্দির
Nurun Nahar Saju 11/01/2024 No Comments

দিনাজপুর কালিয়া জীউ মন্দির কালিয়া জীউ মন্দির কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে নিবেদিত বাংলাদেশের দিনাজপুর শহরে অবস্থিত একটি মন্দির। দিনাজপুর রাজবাড়ির পশ্চিমে মন্দিরটির অবস্থান। মন্দিরের ভোগ পরিবেশিত: দিনাজপুর রাজবাড়িতে দুর্গা মন্দিরের উত্তর দিকে ঠাকুরবাড়ি মহলে কালিয়াজিউ মন্দির অবস্থিত। এই মন্দিরটি ১৭০০ শতকে নির্মিত । জন্মাষ্টমীর দুদিন আগে ষষ্ঠীতে কান্তজিউ মন্দিরের রুক্মিণীকান্ত বিগ্রহকে এই মন্দিরে নিয়ে আসা হয়। অতীতে ময়ূরপঙ্খী নৌকায় চড়ে ঢেপা নদী হয়ে সড়কপথে পদব্রজে চতুর্দোলায় জাঁকজমকপূর্ণ শোভাযাত্রা করে বিগ্রহ আনা হত। বর্তমানে এই প্রথা প্রচলিত থাকলেও সেই বিশেষ ময়ূরপঙ্খী নৌকার কোনও অস্তিত্ব নেই। দুর্গাপুজোর সময় ভক্তহৃদয় রাজবাড়িতেই কান্তজিউ বিগ্রহ দর্শন করতে পারে। প্রথানুযায়ী এই বিগ্রহকে তিনমাস রাজবাড়িতে রেখে রাসপূর্ণিমার দুইদিন পূর্বে ত্রয়োদশী তিথিতে পুনরায় পদব্রজে চতুর্দোলায় জাঁকজমকপূর্ণ শোভাযাত্রা করে কান্তজিউ মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্গাপুজোর কয়েকদিন দেবী দুর্গার পাশাপাশি দেবী চামুণ্ডা, কালিয়াজিউ বিগ্রহ ও কান্তজিউ বিগ্রহকে দুপুরে বিভিন্ন প্রকারের ফল, লুচি-পুড়ি, ছানা-ক্ষীর, দধি-মাখন-সন্দেশ, মিষ্টি-মিষ্টান্ন এবং রাতে নানাপ্রকারের ব্যঞ্জনাদিসহ অন্ন ও ঘৃতান্ন ভোগ দেওয়া হত। অন্নভোগ তৈরি করা হতো সুগন্ধিকাটারিভোগ
Read Moreদিনাজপুরের ঐতিয্যবাহী মুগ ডালের প্রিমিয়াম পাপড়
Nurun Nahar Saju 10/31/2024 No Comments

দিনাজপুরের ঐতিয্যবাহী মুগ ডালের প্রিমিয়াম পাপড় দিনাজপুরের পাপড় বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। এটি সাধারণত চালের গুঁড়া, ডাল, বিভিন্ন মসলা এবং অন্যান্য উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়। দিনাজপুরের পাপড় একটু মচমচে ও স্বাদে ভিন্ন ধরনের হয়। সাধারণত ভাজা বা ভাঁপ দিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়, এবং খাবার টেবিলে নাস্তা বা খাবারের সাইড ডিশ হিসেবে পরিবেশন করা হয়।দিনাজপুরের পাপড়ের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর স্বাদ এবং গন্ধ। এই অঞ্চলের মশলা ও প্রস্তুতির ধরন এর স্বাদে বিশেষ এক ধরনের বৈচিত্র্য এনে দেয়, যা একে দেশের অন্য অঞ্চলের পাপড় থেকে আলাদা করে। কীভাবে পাপড় তৈরি হয়: পাঁপড় তৈরির মূল কাঁচামাল মুগ, খেসারি, বেসন, সয়াবিন ও পাম অয়েল। কারিগরদের হাতের ছোঁয়ায় তা হয়ে ওঠে দৃষ্টিনন্দন ও মুখরোচক। পাঁপড় তৈরি করা হয় উন্নতমানের চাল ও ডালের মিহি গুঁড়া কিংবা ময়দা দিয়ে। প্রথমে সমপরিমাণ মুগ ও মাসকলাই একসঙ্গে মিশিয়ে মেশিনের মাধ্যমে ভেঙে গুঁড়া করা হয়। ফুটানো পানির সঙ্গে লবণ, জিরা, কালিজিরা, গোলমরিচ গুঁড়া, দই, সোডা, হিং ও
Read Moreদিনাজপুরের কবি সাহিত্যিকদের তালিকা
Sagar Kumar Kundu 10/31/2024 No Comments

দিনাজপুরের কবি সাহিত্যিকদের তালিকা দিনাজপুর, বাংলাদেশের একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক জেলা, যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার জন্য পরিচিত। এই জেলার কবি ও সাহিত্যিকরা তাঁদের অসাধারণ রচনা ও চিন্তাধারার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করেছেন। দিনাজপুরের সাহিত্যিকদের মধ্যে যেমন লোককথা, কবিতা, উপন্যাস ও নাটক রচনার ধারা রয়েছে, তেমনি তাঁরা সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গিও তুলে ধরেছেন। এই প্রতিবেদনে আমরা দিনাজপুরের কিছু প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিকদের সম্পর্কে জানব, যাঁদের কাজগুলি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে এবং তাঁদের সৃষ্টির মাধ্যমে দিনাজপুরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে এনেছে। স্বভাব কবি মোঃ নূরুল আমিন মোঃ নূরুল আমিন ছিলেন একজন বিশিষ্ট স্বভাব কবি, দিনাজপুরের সাহিত্য ও সাংবাদিকতার অন্যতম প্রথিকৃৎ। এই কবি বর্তমানে চিরনিদ্রায় শায়িত। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার ঘোনাপাড়া গ্রামে, একটি বনেদী মুসলিম পরিবারে। পিতা অলিমুদ্দীন সরদার এবং মাতা মোওলাতুন্নেছা পরিবিবি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর কাব্যচর্চার শুরু। ১৯৩১ সালে গুরু ট্রেনিং পরীক্ষায় কলকাতা শিক্ষা বোর্ডের মেধা তালিকায় ১৭তম স্থান অধিকার করেন
Read Moreহাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
Sagar Kumar Kundu 10/31/2024 No Comments

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সংক্ষেপে হাবিপ্রবি) বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার সদর উপজেলার ১ নম্বর চেহেলগাজী ইউনিয়নের বাঁশেরহাট এলাকায় অবস্থিত একটি সরকারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি স্থানীয়ভাবে হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয় নামে পরিচিত। ইতিহাস হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৯ সালে, যখন এটি এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (AETI) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কৃষিতে ডিপ্লোমা ডিগ্রি প্রদান করত। ১৯৮৮ সালের ১১ নভেম্বর এটি স্নাতক পর্যায়ের কৃষি কলেজে উন্নীত হয় এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ-এর অধিভুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচালিত হতে থাকে। ১৯৯৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এই কলেজকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা দেয়া হয়, যা আজ “বিশ্ববিদ্যালয় দিবস” নামে পরিচিত। ২০০০ সালে “বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্প” গ্রহণ করা হয় এবং ৮ জুলাই ২০০১ সালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করা হয়। পরবর্তীতে, ৮ এপ্রিল ২০০২ মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত
Read Moreদিনাজপুরের সীতাকোট বিহার
Md Hammim Islam Joy 10/30/2024 No Comments

দিনাজপুরের সীতাকোট বিহার ভূমিকা সীতাকোট বিহার বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার। ইতিহাস এবং প্রত্নতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিহারটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন যা বাংলাদেশের প্রাচীন বৌদ্ধ স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য উদাহরণ। সীতাকোট বিহারের অবস্থান ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নওয়াবগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত এই বিহারটির অবস্থান এমনভাবে যে এটি স্থানীয় পর্যটকদের পাশাপাশি দেশী-বিদেশী পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। সীতাকোট বিহার একটি বৌদ্ধ মঠ বা বিহার হিসেবে সুপরিচিত, এবং এটি প্রায় বর্গাকৃতির একটি বিশাল স্থাপত্যিক কাঠামো। বিহারটির স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য উত্তর ও দক্ষিণ বাহুর গঠন সীতাকোট বিহারের গঠনপ্রকৃতির মধ্যে দেখা যায় যে এর উত্তর এবং দক্ষিণ বাহুগুলো বাহির দিকে প্রক্ষিপ্ত ছিল। তোরণ কমপ্লেক্স ও প্রহরীকক্ষ বিহারটির প্রবেশদ্বারের অংশে রয়েছে তোরণ কমপ্লেক্স এবং দুটি প্রহরীকক্ষ, যা প্রবেশপথকে রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হতো। বিহারের কক্ষসমূহের বিন্যাস কক্ষের সংখ্যা ও আকৃতি সীতাকোট বিহারে মোট ৪১টি কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে উত্তর বাহুতে ৮টি কক্ষ এবং বাকি তিন বাহুতে ১১টি করে কক্ষ বিদ্যমান। কেন্দ্রীয় কক্ষ এবং পূজার মূর্তি
Read Moreনবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান দিনাজপুর
admin 10/30/2024 No Comments

নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত একটি জাতীয় উদ্যান। ৫১৭.৬১ হেক্টর বা ১২৭৮.৪৯ একর জমি নিয়ে এই উদ্যানটি গঠিত। এই বনে শাল ছাড়াও সেগুন, গামার, কড়ই, বেত, বাঁশ, জামসহ প্রায় ২০ থেকে ৩০ প্রজাতির গাছগাছড়া রয়েছে। প্রানীদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রকমের পাখি এবং ভয়ানক প্রানীর মধ্যে রয়েছে শিয়াল যা সন্ধ্যার পর ছাড়া দেখা যায় না। বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ১। প্রাকৃতিক পরিবেশ: উদ্যানটি বিস্তৃত বনভূমি, জলাশয় ও হাওরের সমন্বয়ে গঠিত। এখানে বিভিন্ন ধরনের গাছপালা এবং প্রাণী জগতের অস্তিত্ব রয়েছে। ২। জলজ প্রাণী: উদ্যানটিতে প্রচুর জলজ প্রাণী পাওয়া যায়, বিশেষ করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এবং জলপাখি। ৩। বন্যপ্রাণী: এখানে বন্য শূকর, হরিণ, শিয়াল, এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়। ৪। বৈচিত্র্য: উদ্যানের জীববৈচিত্র্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ, যা গবেষক ও প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। ৫। অবস্থান: দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা সহজেই পৌঁছানোর জন্য সুবিধাজনক। নবাবগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এই জাতীয় উদ্যানের অবস্থান। তবে নবাবগঞ্জ
Read Moreঐতিহাসিক আওকরা মসজিদ – খানসামা উপজেলা
Badhon Roy 10/30/2024 No Comments

ঐতিহাসিক আওকরা মসজিদ – খানসামা উপজেলা আওকরা মসজিদ বাংলাদেশের দিনাজপুরে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটি ১৭৬৬ সালে মির্জা লাল বেগ প্রতিষ্ঠা করেন। অবস্থান দিনাজপুরে যেসব ঐতিহ্যবাহী পুরনো স্থাপনা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম খানসামা উপজেলার প্রায় ২৫৮ বছরের পুরনো আওকরা মসজিদ। এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাটি উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের পাকেরহাট গ্রামের সীমান্তে হাসিমপুর এলাকার বুকচিরে বয়ে চলা বেলান নদীর তীরে মির্জার মাঠ নামক স্থানে অবস্থিত। নামকরণ ও স্থপতির ইতিহাস এটির নামকরণের পেছনে রয়েছে অলৌকিক ইতিহাস। প্রাচীন এ মসজিদকে ঘিরে প্রচলিত রয়েছে নানা কথা। ‘আওকরা’ শব্দের অর্থ কথা বলা। জনশ্রুতি আছে, এই মসজিদের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কথা বললে প্রতিধ্বনি হতো। তাই স্থানীয়রা মসজিদটির নাম রাখেন ‘আওকরা’ বা কথা বলার মসজিদ। তবে নির্মাণের সময় মসজিদটি কি নামে পরিচিত ছিল তা স্থানীয়দের কেউ বলতে পারেননি। জনশ্রুতি আছে এক সময় মসজিদের আশপাশে ছিল মুসলিম জনবসতি। মির্জা লাল বেগ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কথা ভেবে ১৭৬৬ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেন। তৎকালীন সময়ে এখানে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান
Read Moreপার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা
Sagar Kumar Kundu 10/30/2024 No Comments

পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পার্বতীপুরের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা (সংক্ষেপে: কেলোকা) বাংলাদেশের একটি প্রধান লোকোমোটিভ কারখানা, যেখানে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ ডিজেল লোকোমোটিভের রক্ষণাবেক্ষণ ও ভারী সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কারখানাটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে পার্বতীপুর-সৈয়দপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ লোকোমোটিভ কারখানা হিসেবে পরিচিত। বিস্তারিত পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানাটি একটি মনোরম পরিবেশে অবস্থিত, যেখানে দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের একটি দল পুরাতন ইঞ্জিন মেরামত, নতুন ইঞ্জিন তৈরি, রেলওয়ে বগি এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরির কাজ করেন। বাংলাদেশে মাত্র দুটি রেলওয়ে কারখানার মধ্যে এটি অন্যতম। বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব রেলওয়ে বগি, ইঞ্জিন মেরামত ও যন্ত্রাংশ তৈরির প্রধান কাজ এখানেই সম্পন্ন হয়। ১৯৯২ সালের ১৪ মে ২০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। কারখানাটিতে যান্ত্রিক, বৈদ্যুতিক, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, স্টোরসহ মোট ১১টি বিভাগ রয়েছে, যেখানে বরাদ্দকৃত জনবল সংখ্যা ৫৪৫ জন। তবে ২০১৯ সালের হিসাবে সেখানে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২৩৬ জন, এবং শূন্য পদ রয়েছে ৩০৯টি। কারখানার বর্তমান
Read More