দিনাজপুরের লোক সংস্কৃতি লোকশিল্প ও কারুশিল্প: সাংস্কৃতিক পরিচয়
Md Hammim Islam Joy 10/28/2024 No Comments

দিনাজপুরের লোক-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময়। প্রাচীনকাল থেকে এ অঞ্চল নানা ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এখানকার মানুষ শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগী এবং তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য ও কৃষ্টি নিয়ে গর্বিত। দিনাজপুর জেলার লোকসংস্কৃতিতে ভাষা, সঙ্গীত, মেলা, লোকজ উৎসব এবং আদিবাসী সংস্কৃতি বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছে। দিনাজপুরের ভাষা ও সংস্কৃতি দিনাজপুরে ভাষা ও সংস্কৃতির চর্চা খুবই পুরোনো। এখানকার জনগণ বিভিন্ন সময়ে সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় তাদের অবদান রেখে আসছে। দিনাজপুরের সংস্কৃতিমনা মানুষদের কারণে এ জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি বিশেষ অবস্থান রয়েছে। এখানে ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচার-প্রসারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে, যা এখানকার সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। আদিবাসী সংস্কৃতি দিনাজপুরে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আদিবাসী জনগোষ্ঠী বাস করে। সাঁওতাল, ওরাও, মালো, মালপাহাড়ী, পালমাকার প্রভৃতি উপজাতির মানুষদের নিজস্ব সংস্কৃতি এবং ভাষা রয়েছে, যা দিনাজপুরের লোকজ সংস্কৃতিকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রচলন রয়েছে যা তাদের সমাজ এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দিনাজপুরের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ দিনাজপুরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা
Read Moreদিনাজপুর কাঠারী ভোগের চাল ঐতিহ্যবাহী ধানের গল্প
admin 10/28/2024 No Comments

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুর তার উর্বর মাটির জন্য প্রসিদ্ধ। এই জেলায় উৎপাদিত বিভিন্ন ফসলের মধ্যে “কাঠারী ভোগের চাল” অত্যন্ত বিশেষ। ব্রিধান-৩৪, জিরা কাটারী (চিনি গুঁড়া), জটা কাটারী, চিনি কাটারী, বেগুন বিচি ও ব্রিধান-৫০ উল্লেখযোগ্য। কাঠারী ভোগ হলো একটি সুগন্ধি, নরম ও সাদা জাতের চাল, যা দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর গুণগত মানের জন্য সমাদৃত। এর বিশেষ গন্ধ ও স্বাদ একে অন্যান্য চালের তুলনায় আলাদা করে তোলে, এবং এই কারণেই এই চালের চাহিদা অনেক বেশি। দিনাজপুরের কৃষি ঐতিহ্যের একটি অমূল্য অংশ হিসেবে কাঠারী ভোগের চালের সুনাম রয়েছে বহু বছর ধরে। কাঠারী ভোগের উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য দিনাজপুর অঞ্চলের উর্বর মাটির এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণেই এই অঞ্চলে বিভিন্ন বিশেষ জাতের ধানের চাষ হয়। কাঠারী ভোগ চালের উৎপত্তি সেই প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। দিনাজপুরের কৃষকরা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ধান উৎপাদন করে এবং ধানের প্রতি তারা বিশেষ যত্নশীল থাকে। কাঠারী ভোগের চালের দানাগুলো অত্যন্ত সুগন্ধযুক্ত ও সূক্ষ্ম। এর রং সাদা এবং রান্নার পর দানাগুলো লম্বা
Read Moreদিনাজপুর কাঠারী ভোগের চিড়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো
Nurun Nahar Saju 10/28/2024 No Comments

দিনাজপুর কাঠারী ভোগের চিড়া, দিনাজপুরের কাটারি চিড়া (কাঠাল চিড়া নামেও পরিচিত) এটি উত্তর বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবার। ধানের কোমল শিশিগুলো (কাঁঠাল) কে বিশেষ প্রক্রিয়ায় চাটাই পাটির উপর চেপে পাতলা চিড়ায় রূপান্তরিত করা হয়। এই চিড়ার স্বাদ, গন্ধ এবং পুষ্টিকর গুণাবলী একে অনন্য করে তোলে। কাঠারী ভোগের চিড়া কাটারিভোগ চিড়া এক ধরনের বিশেষ ধরনের চিড়া, যা কাটারিভোগ চাল থেকে তৈরি করা হয়। এটি বাংলাদেশ এবং ভারতের কিছু অঞ্চলে খুব জনপ্রিয়। সাধারণ চিড়ার চেয়ে এটি তুলনামূলকভাবে ছোট এবং সুগন্ধযুক্ত হয়, যার ফলে এটি খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। কাটারিভোগ চিড়া সাধারণত হালকা খাবার হিসেবে দুধ, চিনি বা দইয়ের সাথে খাওয়া হয়, বিশেষ করে সকালের নাস্তায়। এছাড়া পিঠা বা অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরিতেও এই চিড়া ব্যবহৃত হতে পারে। কাটারি চিড়া কী দিনাজপুরের কাটারি চিড়া (কাঠাল চিড়া নামেও পরিচিত) এটি উত্তর বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবার। ধানের কোমল শিশিগুলো (কাঁঠাল) কে বিশেষ প্রক্রিয়ায় চাটাই পাটির উপর চেপে পাতলা চিড়ায় রূপান্তরিত করা হয়। এই চিড়ার স্বাদ, গন্ধ এবং
Read Moreচিরিরবন্দর বাইতুল আমান জামে মসজিদ ধর্মীয় প্রেরণার কেন্দ্রবিন্দু
Sagar Kumar Kundu 10/28/2024 No Comments

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা মসজিদগুলো শুধু ইবাদতের স্থান নয়, বরং স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলায় অবস্থিত বাইতুল আমান জামে মসজিদ এমনই একটি পবিত্র স্থাপনা, যা এর স্থাপত্য শৈলী, পরিবেশ ও ধর্মীয় গুরুত্বের কারণে স্থানীয় জনগণের কাছে বিশেষ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত।এটি নওখৈর গ্রামে অবস্থিত একটি প্রাচীনতম বিশাল মসজিদ। প্রতিষ্ঠার পটভূমি বাইতুল আমান জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য জানা না গেলেও, এটি চিরিরবন্দর অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে একটি। প্রাথমিকভাবে এটি একটি সাধারণ মসজিদ হিসেবে শুরু হলেও ধীরে ধীরে স্থানীয়দের সহায়তায় এর সম্প্রসারণ ঘটে। স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের সহযোগিতা এবং তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে মসজিদটি আজকের আকার ধারণ করেছে। স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য মসজিদটির স্থাপত্য শৈলী ঐতিহ্যবাহী ইসলামিক স্থাপত্যের ধারায় গড়ে উঠেছে। এর মূল ফটকটি সুবিশাল এবং দৃষ্টিনন্দন, যা মসজিদের আভিজাত্য প্রকাশ করে। বাইরের দেয়ালের কারুকাজ ও খোদাই কাজ মসজিদটির সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে। মসজিদের কেন্দ্রীয় গম্বুজটি আকাশের দিকে উঠে গিয়ে মসজিদের নান্দনিকতা আরও বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও
Read Moreদিনাজপুরের ধর্মপুর শালবন প্রকৃতির এক অনন্য সৌন্দর্
Md Hammim Islam Joy 10/28/2024 No Comments

দিনাজপুরের ধর্মপুর শালবন, উত্তরের প্রকৃতির মোহনীয় সৌন্দর্যের এক নিদর্শন হলো দিনাজপুরের ধর্মপুর শালবন। এটি দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় অবস্থিত এবং উত্তরাঞ্চলের বৃহত্তম বনভূমি হিসেবে পরিচিত। এক সময়ে এখানে বাঘ, ভাল্লুক, নীল গাইসহ বিভিন্ন বন্য জীবজন্তুর অবাধ বিচরণ ছিল, যা বর্তমানে অনেকটাই বিলুপ্ত। তবে এই বনাঞ্চল এখনও তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্য দিয়ে পর্যটকদের মনোরঞ্জন করতে সক্ষম। ধর্মপুর শালবনের বর্তমান পরিস্থিতি এই বিশাল বনাঞ্চল এখন ভূমি দস্যুদের দখলে চলে গেছে, এবং অবৈধভাবে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে বনের জীববৈচিত্র্য দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। বনভূমির এ ধরনের ধ্বংস প্রতিরোধে, এই বনকে জাতীয় উদ্যানে পরিণত করার দাবি উঠেছে, যা এলাকাবাসী এবং পরিবেশবিদদের নিকট জরুরি এক বিষয়। ধর্মপুর শালবনের ভূগোল এবং আকার ধর্মপুর শালবন ২১টি মৌজা জুড়ে প্রায় ২,৭৩০ একর জমি নিয়ে বিস্তৃত। উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ বনভূমি হিসেবে এটি পরিচিত। শালগাছের বৈচিত্র্য এবং অন্যান্য প্রজাতির গাছের উপস্থিতি বনকে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যে অনন্য করেছে। এর মধ্যে রয়েছে জামরুল, শিমুল, সেগুনসহ আরও অনেক প্রজাতির বৃক্ষ। শালগাছের বৈশিষ্ট্য শালগাছের মাঝারি
Read Moreদিনাজপুর ঘুঘুডাঙ্গা জমিদার বাড়ি
Badhon Roy 10/28/2024 No Comments

ঘুঘুডাঙ্গা জমিদার বাড়ি ঘুঘুডাঙ্গা জমিদার বংশের আদি পুরুষ নবীর মোহাম্মদ এর পুত্র ফুল মোহাম্মদ চৌধুরী নির্মিত একটি ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পূর্বে ৩০টি থানা নিয়ে গঠিত অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার মুসলমান জমিদারদের মধ্যে ছিল ঘুঘুডাঙ্গা জমিদার। বর্ণনা ঘুঘুডাঙ্গা জমিদার বংশের আদি পুরুষ ছিলেন নবীর মোহাম্মদ। তিনি জলপাইগুড়ি থেকে নদীপথে ব্যবসা উপলক্ষে ঘুঘুডাঙ্গার কিছু দূরে পাথর ঘাটায় আসেন এবং বাসাবাড়ী নির্মাণ করে ৫০০টি ধানভাঙ্গা ঢেঁকি স্থাপন করে নদীপথে কলকাতার চিৎপুরেও ধান চাউলের ব্যবসা কেন্দ্র স্থাপন করেন। তার পুত্র ফুল মোহাম্মদ চৌধুরী ক্রমান্বয়ে বহু জমিদারী ক্রয় করেন এবং পাথর ঘাটা হতে ঘুঘুডাঙ্গার জমিদার বাড়ি নির্মাণ করেন। ফুল মোহাম্মদের তিন পুত্র ছিল ওলি মোহাম্মদ চৌধুরী, মোজহর মোহাম্মদ চৌধুরী ও হাজী জমির উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী। হাজী জমির উদ্দিনের ৫ পুত্রের নাম মহিউদ্দীন আহাম্মদ চৌধুরী, সিরাজ উদ্দীন আহমদ চৌধুরী, এমাজউদ্দীন আহমেদ চৌধুরী, হাজী আমিনউদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং হাজী রহিমউদ্দীন আহমদ চৌধুরী। ঘুঘুডাঙ্গা জমিদারী এলাকা ছিল ১১টি থানার মধ্যে। এগুলো হচ্ছে- দিনাজপুর সদর উপজেলা
Read Moreদিনাজপুর লিচু বাগান বাংলাদেশের লিচুর স্বর্গ
Sagar Kumar Kundu 10/28/2024 No Comments

দিনাজপুর লিচু বাগান, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও কৃষি সম্ভাবনার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো দিনাজপুরের লিচু বাগান। এই বাগানগুলো শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক দিক থেকেও গুরুত্ব বহন করে। দিনাজপুর জেলার জলবায়ু এবং মাটি লিচু চাষের জন্য আদর্শ, যা এই অঞ্চলে লিচুর উন্নতমানের ফলন নিশ্চিত করে। লিচুর বৈশিষ্ট্য দিনাজপুরের লিচু সাধারণত সুমিষ্ট, রসালো এবং সুগন্ধিযুক্ত। এর বৈশিষ্ট্য হলো: রং ও গন্ধ: দিনাজপুরের লিচুর রং সাধারণত উজ্জ্বল লাল বা হলুদ হয় এবং এর গন্ধ অনেক মিষ্টি। আকার ও স্বাদ: এই লিচুর আকার বড় এবং স্বাদ অতুলনীয়। অনেক সময় এক একটি লিচু ৮০ গ্রাম ওজনেরও হয়ে থাকে। পুষ্টিগুণ: লিচুতে ভিটামিন সি, পটাসিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রাচুর্য রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। লিচু্ বাগানের আকর্ষণ দিনাজপুরের লিচু বাগানগুলো পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু, বিশেষত লিচুর মৌসুমে (মে-জুন)। এর কিছু প্রধান আকর্ষণ: লিচুর মৌসুমি চাষাবাদ দেখার সুযোগ: লিচুর মৌসুমে বাগানগুলোতে লিচু চাষের প্রক্রিয়া কাছ থেকে দেখা যায়, যা পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা।
Read Moreকড়াই বিল: বিরল দিনাজপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ নিদর্শন
admin 10/28/2024 No Comments

কড়াই বিল বিরল, দিনাজপুর বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি বিশেষ জলাভূমি। এটি স্থানীয় প্রকৃতি, পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। এই বিলটি কৃষি অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত এবং স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ভৌগোলিক অবস্থান কড়াই বিল দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলায় অবস্থিত। এটি প্রায় ২৫০ একর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত, যা বর্ষাকালে জলবদ্ধ হয়ে যায়। এর আশেপাশের পরিবেশ উর্বর এবং কৃষি কাজের জন্য উপযোগী। জীববৈচিত্র্য কড়াই বিলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, মাছ এবং জলজ উদ্ভিদের বিস্তৃতি রয়েছে। এখানে হাঁস, বক, মছার প্রজাতি, এবং নানা ধরনের জলজ গাছ যেমন পাট, কাচকুঁচি, শিংগি ইত্যাদি দেখা যায়। এই বিলটি স্থানীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিবেশগত গুরুত্ব কড়াই বিলের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এটি বর্ষাকালে জল ধারণ করে, যা এলাকার কৃষির জন্য অপরিহার্য। বিলটি স্থানীয় মাটি সেচের পাশাপাশি বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সাংস্কৃতিক গুরুত্ব স্থানীয় জনগণের জন্য কড়াই বিল একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এখানে বিভিন্ন ধরনের উৎসব
Read Moreচিরিরবন্দর উপজেলা পরিষদের পুকুর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার
Sagar Kumar Kundu 10/28/2024 No Comments

চিরিরবন্দর উপজেলা, দিনাজপুর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান। এর অন্যতম আকর্ষণ হলো চিরিরবন্দর উপজেলা পরিষদের পুকুর। এটি শুধু একটি পুকুর নয়, চিরিরবন্দরের মানুষের জন্য একটি প্রিয় জায়গা এবং উপজেলাটির প্রাকৃতিক পরিবেশের অন্যতম সৌন্দর্যমণ্ডিত অংশ। পুকুরটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে যেমন শীতল পরিবেশের উৎস, তেমনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবেও পরিচিত। পুকুরের অবস্থান ও গুরুত্ব চিরিরবন্দর উপজেলা পরিষদের মূল প্রাঙ্গণে অবস্থিত এই পুকুরটি, পরিষদের নান্দনিকতার সঙ্গে মিশে গেছে। এটি পরিষদের সৌন্দর্যবর্ধনে যেমন অবদান রাখছে, তেমনি স্থানীয় মানুষদের জন্যও এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পুকুরটি পরিষদের মূল ভবন এবং আশপাশের এলাকাগুলোর সঙ্গে পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখে। বিশাল জলরাশি, সবুজ গাছপালা এবং শান্ত পরিবেশ পুকুরটিকে একটি অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করেছে। পুকুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুকুরটির চারপাশে ঘন সবুজ বৃক্ষরাজি রয়েছে যা পুকুরের সৌন্দর্যকে আরও বৃদ্ধি করে। সকালে সূর্যের আলো যখন পুকুরের পানিতে পড়ে, তখন এটি এক অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করে। স্থানীয় পাখির কলতান, বাতাসের মৃদু সুর, এবং পানির ঠাণ্ডা শিহরণ পুকুরের চারপাশে এক স্বর্গীয়
Read Moreদিনাজপুর জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য
admin 10/28/2024 No Comments

দিনাজপুর জেলার ইতিহাস, দিনাজপুর জেলা সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে ১১২-১২০ ফুট গড় উচ্চতায় অবস্থিত। ভৌগোলিকভাবে এ জেলা ২৫০১৪ এবং ২৫০৩৮ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৮০০৫ ও ৮৫০২৮ ডিগ্রী দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। মোট ১৩ টি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই জেলার আয়তন ৩৪৩৭.৯৮ বর্গ কিলোমিটার। ২০২২ সালের জনশুমারী অনুযায়ী এর মোট জনসংখ্যা ৩৩,১৫,২৩৮ জন, যার মধ্যে পুরুষ ১৬,৬০,৯৯৭ জন এবং মহিলা ১৬,৫৩,৩০৫ জন। উত্তর-দক্ষিণে লম্বালম্বিভাবে বিস্তৃত এ জেলার উত্তরে ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়, দক্ষিণে গাইবান্ধা ও জয়পুরহাট, পূর্বে নীলফামারী ও রংপুর জেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য। লোকশ্রুতি অনুযায়ী জনৈক দিনাজ অথবা দিনারাজ দিনাজপুর রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তার নামানুসারেই রাজবাড়ীতে অবস্থিত মৌজার নাম হয় দিনাজপুর। পরবর্তীতে বৃটিশ শাসনামলে ঘোড়াঘাট সরকার বাতিল করে বৃটিশরা নতুন জেলা গঠন করে এবং রাজার সম্মানে এ জেলার নামকরণ করে দিনাজপুর। কোম্পানী আমলের নথিপত্রে প্রথম দিনাজপুর নামটি ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। তবে ভৌগলিকভাবে দিনাজপুর মৌজাটি অতি প্রাচীন। দিনাজপুরের ভূতপূর্ব কালেক্টর ও বিখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদ মিঃ ওয়েষ্ট মেকট সর্বপ্রথম দিনাজপুর নাম ও তার উৎস
Read More