ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী: দিনাজপুরের কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ

1 of
Previous Next

Ad Details

  • Ad ID: 3663

  • Added: 09/30/2024

  • Condition:

  • Views: 2724

Description

দিনাজপুরে কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী: যোগ্যতা, চিকিৎসা ও চেম্বার তথ্য

 

দিনাজপুরে কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ খুঁজছেন? ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী একজন নেফ্রোলজি বা কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ, যিনি MBBS, MD (Nephrology) এবং BCS (Health) যোগ্যতা অর্জন করেছেন। বর্তমান অনলাইন চিকিৎসক প্রোফাইল অনুযায়ী তিনি Nephrology/Kidney Medicine-এ চিকিৎসা প্রদান করেন এবং Popular Diagnostic Centre Ltd., Dinajpur Branch-এ রোগী দেখেন।

কিডনি রোগ অনেক সময় শুরুতে স্পষ্ট কোনো উপসর্গ তৈরি করে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ৬৭৪ মিলিয়ন মানুষ দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে (CKD) আক্রান্ত এবং ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন কারণ কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ।

দ্রুত উত্তর: দিনাজপুরে কিডনি রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী নেফ্রোলজি/কিডনি মেডিসিনে চিকিৎসা প্রদান করেন। তাঁর প্রকাশিত যোগ্যতা হলো MBBS, MD (Nephrology), BCS (Health) এবং বর্তমান Popular Diagnostic Centre-এর তালিকায় তাঁর চেম্বার দিনাজপুর শাখায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী সম্পর্কে

 

ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী কিডনি রোগ বা নেফ্রোলজি বিষয়ে চিকিৎসা প্রদানকারী একজন চিকিৎসক। Popular Diagnostic Centre-এর প্রকাশিত প্রোফাইলে তাঁর বিশেষত্ব হিসেবে Nephrology/Kidney Medicine উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁর প্রকাশিত শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে:

  • MBBS
  • MD (Nephrology)
  • BCS (Health)
  • Nephrology/Kidney Medicine-এ চিকিৎসাসেবা

একাধিক চিকিৎসক-তথ্য প্ল্যাটফর্মেও একই ধরনের যোগ্যতা ও নেফ্রোলজি বিশেষত্ব উল্লেখ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসকের বর্তমান পদবি, কর্মস্থল বা চেম্বার সময় পরিবর্তিত হতে পারে; অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য নিশ্চিত করা ভালো।

নেফ্রোলজি কী এবং নেফ্রোলজিস্ট কী চিকিৎসা করেন?

 

নেফ্রোলজি হলো কিডনি ও কিডনির কার্যকারিতা সম্পর্কিত চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা। একজন নেফ্রোলজিস্ট সাধারণত কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ, কিডনি-সম্পর্কিত উচ্চ রক্তচাপ, প্রস্রাবে অস্বাভাবিকতা এবং কিডনি বিকল হওয়ার মতো জটিলতার মূল্যায়ন ও চিকিৎসায় কাজ করেন।

কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনি দীর্ঘদিন ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে।

কোন কোন কিডনি সমস্যায় নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে?

 

নিচের সমস্যাগুলোর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে:

  • দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ বা Chronic Kidney Disease (CKD)
  • কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া
  • রক্তে ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যাওয়া
  • eGFR অস্বাভাবিক হওয়া
  • প্রস্রাবে প্রোটিন বা অ্যালবুমিন পাওয়া
  • প্রস্রাবে রক্ত পাওয়া
  • শরীর, পা বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া
  • দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে কিডনি সমস্যা
  • ডায়াবেটিসের সঙ্গে কিডনি জটিলতা
  • কিডনি-সম্পর্কিত ইলেক্ট্রোলাইটের সমস্যা
  • কিছু ধরনের কিডনি প্রদাহ বা glomerular disease
  • কিডনি রোগের কারণে প্রস্রাবের পরিমাণে পরিবর্তন
  • কিডনি ফেইলিউরের মূল্যায়ন ও ফলোআপ
  • ডায়ালাইসিস-সংক্রান্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা

তবে কিডনিতে পাথর হলেই সবসময় নেফ্রোলজিস্টের চিকিৎসা প্রয়োজন হয় না। পাথরের অবস্থান, আকার, বাধা, সংক্রমণ এবং অন্যান্য বিষয় অনুযায়ী নেফ্রোলজিস্ট বা ইউরোলজিস্ট—কোন বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন হবে তা চিকিৎসক নির্ধারণ করতে পারেন।

কিডনি রোগের সাধারণ লক্ষণ কী?

 

কিডনি রোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো—প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক রোগীর কোনো স্পষ্ট উপসর্গ নাও থাকতে পারে। তাই শুধু উপসর্গের ওপর নির্ভর না করে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

কিডনি রোগ অগ্রসর হলে দেখা দিতে পারে:

  • পা, গোড়ালি বা শরীরের অন্যান্য অংশ ফুলে যাওয়া
  • প্রস্রাবের পরিমাণ বা স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিবর্তন
  • প্রস্রাবে ফেনা দেখা
  • অস্বাভাবিক ক্লান্তি
  • ক্ষুধা কমে যাওয়া
  • বমি বমি ভাব বা বমি
  • ত্বকে চুলকানি
  • পেশিতে টান বা ক্র্যাম্প
  • শ্বাসকষ্ট
  • ঘুমের সমস্যা

এসব লক্ষণ অন্য রোগেও হতে পারে। তাই লক্ষণ দেখা দিলেই নিজে থেকে কিডনি রোগ ধরে নেওয়া উচিত নয়; প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ও পরীক্ষা করা উচিত।

কিডনি রোগ শনাক্ত করতে কী কী পরীক্ষা করা হয়?

 

কিডনি রোগের মূল্যায়নে রোগীর অবস্থা অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষা করা হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে:

পরীক্ষা কী বোঝাতে সাহায্য করে
Serum Creatinine কিডনির কার্যক্ষমতা মূল্যায়নে সহায়ক
eGFR কিডনি কতটা রক্ত ফিল্টার করছে তার আনুমানিক ধারণা দেয়
Urine Routine/Microscopy প্রস্রাবে রক্ত, প্রোটিনসহ বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা শনাক্তে সহায়ক
Urine Albumin-Creatinine Ratio (UACR) প্রস্রাবে অ্যালবুমিনের পরিমাণ মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়
Blood Urea/BUN কিডনি কার্যকারিতা মূল্যায়নে সহায়ক
Electrolytes সোডিয়াম, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য মূল্যায়নে সহায়ক
Blood Pressure উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি ঝুঁকি মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ
Kidney Ultrasound কিডনির আকার, গঠন বা বাধা-সংক্রান্ত সমস্যা দেখতে ব্যবহৃত হতে পারে

NIDDK-এর তথ্য অনুযায়ী, কিডনি রোগ শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে urine albumin এবং eGFR গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ বা পরিবারে কিডনি ফেইলিউরের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী কিডনি পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন।

ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগের সম্পর্ক

 

ডায়াবেটিস কিডনি ক্ষতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। দীর্ঘদিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকলে কিডনির সূক্ষ্ম রক্তনালীর ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে এবং সময়ের সঙ্গে কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিশ্বে প্রায় ৮৩০ মিলিয়ন মানুষ ডায়াবেটিস নিয়ে বসবাস করছিল। ডায়াবেটিসের বিভিন্ন জটিলতার মধ্যে কিডনি ক্ষতিও রয়েছে।

তাই ডায়াবেটিস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী:

  1. রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখা
  2. রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করা
  3. প্রয়োজন অনুযায়ী কিডনি পরীক্ষা করা
  4. নির্ধারিত ওষুধ নিয়মিত গ্রহণ করা
  5. নিয়মিত ফলোআপ করা

গুরুত্বপূর্ণ।

উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি রোগের সম্পর্ক

 

উচ্চ রক্তচাপ কিডনির রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আবার কিডনি রোগের কারণেও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। ফলে কিডনি রোগ ও উচ্চ রক্তচাপ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

WHO-এর ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সংখ্যা ১৯৯০ সালের প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন থেকে ২০২৪ সালে প্রায় ১.৪ বিলিয়নে পৌঁছেছে।

এ কারণে দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত কিডনি স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

কিডনি রোগের চিকিৎসায় কী ধরনের ব্যবস্থাপনা করা হতে পারে?

 

কিডনি রোগের চিকিৎসা রোগের কারণ, ধরন ও পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে। একই চিকিৎসা সব রোগীর জন্য উপযুক্ত নয়।

চিকিৎসা পরিকল্পনায় থাকতে পারে:

  • মূল রোগের চিকিৎসা
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
  • প্রয়োজনীয় ওষুধ
  • খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
  • লবণ গ্রহণ নিয়ন্ত্রণ
  • পর্যাপ্ত ও নিরাপদ শারীরিক কার্যক্রম
  • নিয়মিত রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা
  • কিডনি ফাংশন পর্যবেক্ষণ
  • জটিলতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
  • প্রয়োজন হলে ডায়ালাইসিস বা কিডনি রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির মূল্যায়ন

NIDDK দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ক্ষেত্রে রক্তচাপ ও রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কার্যক্রম এবং নিয়মিত কিডনি পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেয়।

ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহীর চেম্বার তথ্য

 

বর্তমান Popular Diagnostic Centre-এর প্রকাশিত প্রোফাইল অনুযায়ী, ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী Popular Diagnostic Centre Ltd., Dinajpur Branch-এ রোগী দেখেন। বর্তমান প্রকাশিত সময়সূচি হলো:

তথ্য বিবরণ
চিকিৎসকের নাম Assoc. Prof. Dr. Md. Fazla Elahi
বিশেষত্ব Nephrology / Kidney Medicine
যোগ্যতা MBBS, MD (Nephrology), BCS (Health)
চেম্বার Popular Diagnostic Centre Ltd., Dinajpur Branch
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭:০০টা – রাত ১১:০০টা
শুক্রবার সকাল ৮:০০টা – বিকাল ৫:০০টা
ঠিকানা House #44, 1 No. Upashahar, Fulbari Bus Stand, Dinajpur
অ্যাপয়েন্টমেন্ট 09666-787815

এই সময়সূচি Popular Diagnostic Centre-এর বর্তমান অনলাইন প্রোফাইল থেকে নেওয়া।

গুরুত্বপূর্ণ: চিকিৎসকের চেম্বার সময়, ছুটির দিন, রুম নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যাওয়ার আগে 09666-787815 নম্বরে যোগাযোগ করে সময় ও সিরিয়াল নিশ্চিত করা ভালো।

পুরোনো চেম্বার তথ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নোট

 

অনলাইনে প্রকাশিত বিভিন্ন পুরোনো ওয়েবসাইটে ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহীর জন্য এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রুম নম্বর এবং আলাদা সময়সূচি উল্লেখ পাওয়া যায়। কিন্তু এসব তথ্যের কিছু পুরোনো এবং একে অপরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

অন্যদিকে Popular Diagnostic Centre-এর বর্তমান প্রোফাইলে তাঁর Dinajpur Branch-এর বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের সময়সূচি স্পষ্টভাবে প্রকাশিত রয়েছে। তাই অনলাইনে পুরোনো তথ্য দেখে সরাসরি চেম্বারে যাওয়ার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ফোন করে সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিত করা উচিত।

কখন কিডনি বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন?

 

নিচের যেকোনো পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে:

  • রক্ত পরীক্ষায় ক্রিয়েটিনিন বা eGFR অস্বাভাবিক হলে
  • প্রস্রাবে প্রোটিন বা অ্যালবুমিন পাওয়া গেলে
  • প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে
  • বারবার পা বা শরীর ফুলে গেলে
  • দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
  • ডায়াবেটিসের সঙ্গে কিডনি পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা থাকলে
  • প্রস্রাবের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলে
  • পূর্বে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলে
  • পরিবারে কিডনি ফেইলিউরের ইতিহাস থাকলে
  • কিডনি রোগের চিকিৎসা বা ফলোআপ প্রয়োজন হলে

বিশেষ করে কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে উপসর্গ না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

কিডনি সুস্থ রাখতে কী করা যায়?

 

কিডনি সুস্থ রাখার জন্য দৈনন্দিন জীবনযাপনে কিছু অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে:

  1. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  2. ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
  3. অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।
  4. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত কোনো ওষুধ গ্রহণ করবেন না।
  5. ধূমপান এড়িয়ে চলুন।
  6. নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন।
  7. নিজের কিডনি রোগের অবস্থা অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শে ঠিক করুন।
  8. ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন।
  9. কিডনি পরীক্ষায় অস্বাভাবিক ফল পাওয়া গেলে অবহেলা করবেন না।
  10. প্রয়োজন অনুযায়ী নেফ্রোলজিস্টের ফলোআপ নিন।

কিডনি রোগের রোগীদের ক্ষেত্রে সবার জন্য একই পরিমাণ পানি, লবণ বা নির্দিষ্ট খাবার উপযুক্ত নয়। কিডনি রোগের ধরন ও পর্যায় অনুযায়ী খাদ্য ও তরল গ্রহণের পরামর্শ ভিন্ন হতে পারে।

ডায়ালাইসিস কি সব কিডনি রোগীর প্রয়োজন হয়?

 

না। সব কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হয় না।

ডায়ালাইসিস সাধারণত গুরুতর কিডনি ফেইলিউরের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে Acute Kidney Injury (AKI)-এর সময়ও সাময়িক ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হতে পারে। আবার দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের শেষ পর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসকের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহীর কাছে যাওয়ার আগে কী কী সঙ্গে নেবেন?

 

চিকিৎসকের পরামর্শ আরও কার্যকর করতে আগের রিপোর্টগুলো সঙ্গে নেওয়া উপকারী হতে পারে। যেমন:

  • পূর্বের প্রেসক্রিপশন
  • Serum Creatinine রিপোর্ট
  • eGFR রিপোর্ট
  • Urine R/E বা Urine ACR/UACR রিপোর্ট
  • Blood Sugar/HbA1c রিপোর্ট
  • Blood Pressure-এর সাম্প্রতিক রেকর্ড
  • Ultrasound/CT বা অন্যান্য কিডনি-সংক্রান্ত রিপোর্ট
  • বর্তমানে যে ওষুধগুলো গ্রহণ করছেন তার তালিকা
  • পূর্বের হাসপাতাল বা চিকিৎসার কাগজপত্র

সব রিপোর্ট না থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে দেরি করা উচিত নয়।

Frequently Asked Questions (FAQ)

দিনাজপুরে ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী কোন রোগের চিকিৎসা করেন?

তিনি Nephrology/Kidney Medicine বা কিডনি রোগ বিষয়ে চিকিৎসা প্রদান করেন। তাঁর প্রকাশিত যোগ্যতার মধ্যে MBBS, MD (Nephrology) এবং BCS (Health) রয়েছে।

ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী কোথায় রোগী দেখেন?

বর্তমান Popular Diagnostic Centre-এর প্রোফাইল অনুযায়ী তিনি Popular Diagnostic Centre Ltd., Dinajpur Branch-এ রোগী দেখেন।

ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহীর চেম্বার সময় কখন?

বর্তমান প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা এবং শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা রোগী দেখার সময় উল্লেখ রয়েছে। যাওয়ার আগে ফোনে সময় নিশ্চিত করা উচিত।

ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহীর সিরিয়াল নম্বর কী?

Popular Diagnostic Centre-এর বর্তমান প্রোফাইলে অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য 09666-787815 নম্বর দেওয়া আছে।

কিডনি রোগের জন্য কোন পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ?

রোগীর অবস্থা অনুযায়ী Serum Creatinine, eGFR, Urine Albumin/UACR, Urinalysis, Blood Urea এবং Electrolytes-এর মতো পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে। কোন পরীক্ষা লাগবে তা চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

কিডনি রোগের শুরুতে কি কোনো লক্ষণ থাকে?

অনেক ক্ষেত্রে CKD-এর প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। তাই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা অন্যান্য ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

ডায়াবেটিস কি কিডনি নষ্ট করতে পারে?

হ্যাঁ। দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত বা অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে গ্লুকোজ, রক্তচাপ ও কিডনি স্বাস্থ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে কিডনি রোগের সম্পর্ক কী?

উচ্চ রক্তচাপ কিডনির রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আবার কিডনি রোগের কারণেও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

উপসংহার

 

দিনাজপুরে কিডনি রোগের চিকিৎসার জন্য ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী একজন নেফ্রোলজি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে রোগী দেখেন। তাঁর প্রকাশিত যোগ্যতা MBBS, MD (Nephrology) এবং BCS (Health) এবং বর্তমান Popular Diagnostic Centre-এর তথ্য অনুযায়ী তিনি Dinajpur Branch-এ Nephrology/Kidney Medicine সেবা প্রদান করছেন।

কিডনি রোগ অনেক সময় নীরবে অগ্রসর হতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।