ডাঃ এ বি মোবাশ্বের আলম – কিডনি রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, দিনাজপুর
: কিডনি ডাক্তার দিনাজপুর / কিডনি বিশেষজ্ঞ দিনাজপুর / নেফ্রোলজি বিশেষজ্ঞ
Ad Details
Ad ID: 5233
Added: 11/10/2024
Condition:
Views: 1620
Description
ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম – কিডনি বিশেষজ্ঞ দিনাজপুর ও রংপুর
কিডনি রোগ, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি সমস্যা, ডায়ালাইসিস, প্রস্রাবে প্রোটিন, উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি জটিলতা বা অন্যান্য নেফ্রোলজি-সংক্রান্ত সমস্যার জন্য অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞ (Nephrologist)-এর পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। Prof. Dr. A B M Mobasher Alam Suja (ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম সুজা) রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে বিভিন্ন চিকিৎসা-তালিকায় উল্লেখ আছেন। তাঁর প্রকাশিত প্রোফাইলে MBBS, MD (Nephrology), FRCP এবং FASNসহ একাধিক উচ্চতর যোগ্যতা উল্লেখ করা হয়েছে।
দিনাজপুরে তাঁর চেম্বার-সংক্রান্ত একটি পুরোনো স্থানীয় তালিকায় যমুনা ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন ঠিকানা এবং ০১৮১৭-৫১৭৯৭১ ও ০৫৩১-৬২৯৮৯ নম্বর দেওয়া হয়েছে। তবে চিকিৎসকের চেম্বার, সময়সূচি ও সিরিয়াল নম্বর পরিবর্তিত হতে পারে। তাই দিনাজপুরে যাওয়ার আগে ফোন করে বর্তমান সময়সূচি নিশ্চিত করা উচিত।
ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলমের পরিচয়
নাম: Prof. Dr. A B M Mobasher Alam Suja
বিশেষত্ব: কিডনি রোগ ও নেফ্রোলজি
ডিগ্রি: MBBS, MD (Nephrology)
অন্যান্য প্রকাশিত যোগ্যতা: FRCP (Edinburgh/Glasgow), FASN (USA)
বর্তমান পদবি হিসেবে প্রকাশিত: Professor & Head, Department of Nephrology, Rangpur Medical College & Hospital
চিকিৎসা ক্ষেত্র: কিডনি রোগ, CKD, উচ্চ রক্তচাপজনিত কিডনি সমস্যা, ডায়ালাইসিসসহ নেফ্রোলজি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা।
তাঁর একটি চিকিৎসা-প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইলে Nebraska, USA-তে Haemodialysis বিষয়ে Advanced Training এবং Bangalore, India-তে Transplant Nephrology training-এর কথাও উল্লেখ রয়েছে।
নেফ্রোলজি কী?
নেফ্রোলজি (Nephrology) হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে কিডনি ও কিডনির কার্যকারিতা-সংক্রান্ত রোগের চিকিৎসা করা হয়। কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল বের করতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে এবং শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।
কিডনি রোগের অনেক ক্ষেত্রেই শুরুতে স্পষ্ট কোনো উপসর্গ দেখা যায় না। তাই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। National Kidney Foundation-এর তথ্য অনুযায়ী, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ CKD-এর গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে।
কোন ধরনের কিডনি সমস্যায় নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে?
রোগীর অবস্থা অনুযায়ী একজন নেফ্রোলজিস্ট নিচের মতো বিভিন্ন সমস্যার মূল্যায়ন ও চিকিৎসা পরিকল্পনায় যুক্ত হতে পারেন:
- Chronic Kidney Disease (CKD)
- Acute Kidney Injury (AKI)
- কিডনি ফেইলিউর
- ডায়ালাইসিস-সংক্রান্ত চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা
- প্রস্রাবে অতিরিক্ত প্রোটিন বা Albuminuria
- Nephrotic syndrome
- Glomerular disease
- উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে সম্পর্কিত কিডনি সমস্যা
- ডায়াবেটিস-সম্পর্কিত কিডনি জটিলতা
- শরীরে পানি জমা বা ফোলা
- কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া
- Electrolyte ও acid-base imbalance
- কিছু ধরনের কিডনি সংক্রমণ ও জটিলতা
- কিডনি প্রতিস্থাপন-সংক্রান্ত নেফ্রোলজি সেবা
তবে কিডনির পাথর বা মূত্রনালির অস্ত্রোপচার-সংক্রান্ত সমস্যায় সবসময় নেফ্রোলজিস্টই উপযুক্ত বিশেষজ্ঞ নাও হতে পারেন; পরিস্থিতি অনুযায়ী ইউরোলজিস্টের প্রয়োজন হতে পারে।
Chronic Kidney Disease (CKD) কী?
Chronic Kidney Disease বা CKD হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কিডনির গঠন বা কার্যকারিতায় দীর্ঘস্থায়ী অস্বাভাবিকতা থাকে। CKD সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে এবং ধীরে ধীরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।
CKD মূল্যায়নে চিকিৎসক সাধারণত রোগীর ইতিহাস, রক্ত ও প্রস্রাবের পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষা বিবেচনা করেন। বিশেষভাবে eGFR এবং urine albumin/creatinine ratio (uACR) কিডনি রোগের মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। KDIGO-এর ২০২৪ CKD guideline-এ CKD-এর মূল্যায়ন, শ্রেণিবিন্যাস, ঝুঁকি নির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত evidence-based recommendations দেওয়া হয়েছে।
কিডনি রোগের যেসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়
কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক রোগীর কোনো উল্লেখযোগ্য উপসর্গ নাও থাকতে পারে। রোগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে:
- পা, গোড়ালি বা চোখের চারপাশে ফোলা
- প্রস্রাবের পরিবর্তন
- প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা
- অতিরিক্ত ক্লান্তি
- ক্ষুধা কমে যাওয়া
- রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া
- ত্বক শুষ্ক বা চুলকানি
- পেশিতে ক্র্যাম্প
- মনোযোগ দিতে সমস্যা
- উচ্চ রক্তচাপ
এসব লক্ষণ থাকলেই যে কিডনি রোগ হয়েছে—এমন নয়। আবার উপসর্গ না থাকলেও কিডনি রোগ থাকতে পারে। তাই ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
ডায়ালাইসিস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
কিডনি যখন শরীর থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল যথেষ্ট পরিমাণে অপসারণ করতে পারে না, তখন নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হতে পারে। ডায়ালাইসিস কিডনির কিছু কাজের বিকল্প হিসেবে রক্ত থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল অপসারণে সাহায্য করে।
ডায়ালাইসিস শুরু করার সিদ্ধান্ত শুধু একটি রিপোর্ট বা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। রোগীর উপসর্গ, কিডনির কার্যক্ষমতা, রক্তের বিভিন্ন মান, সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য ক্লিনিক্যাল বিষয় বিবেচনা করে নেফ্রোলজিস্ট সিদ্ধান্ত নেন।
ডায়ালাইসিসের প্রধান ধরন
সাধারণভাবে ডায়ালাইসিসের মধ্যে রয়েছে:
- Hemodialysis
- Peritoneal Dialysis
কোন পদ্ধতি রোগীর জন্য উপযুক্ত হবে তা ব্যক্তির স্বাস্থ্য, কিডনির অবস্থা, চিকিৎসা সুবিধা এবং চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর নির্ভর করে।
দিনাজপুরে ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলমের চেম্বার
দিনাজপুরের স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত চিকিৎসক তালিকায় ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলমের চেম্বার হিসেবে নিচের তথ্য পাওয়া যায়:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| চিকিৎসক | ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম |
| বিশেষত্ব | কিডনি রোগ ও নেফ্রোলজি |
| চেম্বার | যমুনা ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স |
| অবস্থান | এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন, দিনাজপুর |
| সিরিয়াল | ০১৮১৭-৫১৭৯৭১ |
| বিকল্প নম্বর | ০৫৩১-৬২৯৮৯ |
| প্রকাশিত পুরোনো সময় | প্রতিদিন বিকাল ৪টা–রাত ৮টা |
গুরুত্বপূর্ণ: উপরের দিনাজপুরের সময়সূচি স্থানীয় পুরোনো অনলাইন তালিকা থেকে পাওয়া। বর্তমানে চিকিৎসকের রংপুরের চেম্বার হিসেবে Popular Diagnostic Centre-এর তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে এবং সেখানে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ছুটির তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। তাই দিনাজপুর বা রংপুরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট চেম্বারে ফোন করে বর্তমান চেম্বার সময় ও সিরিয়াল নিশ্চিত করুন।
রংপুরে বর্তমান চেম্বার সম্পর্কিত তথ্য
বর্তমান অনলাইন চিকিৎসক প্রোফাইল অনুযায়ী Prof. Dr. A B M Mobasher Alam Suja রংপুরের Popular Diagnostic Centre, 77/1, Road No-1, Dhap, Jail Road, Rangpur-এ রোগী দেখেন বলে প্রকাশিত হয়েছে। Popular Diagnostic Centre-এর নিজস্ব তালিকায় তাঁকে Nephrology বিভাগের Professor & Head of Department হিসেবে দেখানো হয়েছে।
Popular Diagnostic Centre-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী তাঁর নির্ধারিত সময়সূচিতে সপ্তাহের বিভিন্ন দিনে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত সময় রয়েছে। তবে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ছুটির তথ্যও প্রতিষ্ঠানটির প্রোফাইলে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে। তাই অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে অবশ্যই ফোনে বর্তমান availability নিশ্চিত করা উচিত।
রোগী দেখানোর আগে কী কী রিপোর্ট সঙ্গে নেওয়া ভালো?
কিডনি-সংক্রান্ত সমস্যায় আগে কোনো পরীক্ষা বা চিকিৎসা হয়ে থাকলে পুরোনো রিপোর্ট সঙ্গে নিলে চিকিৎসক রোগীর পূর্ববর্তী অবস্থা বুঝতে সুবিধা পেতে পারেন। প্রয়োজন অনুযায়ী সঙ্গে রাখা যেতে পারে:
- Serum Creatinine
- eGFR রিপোর্ট
- Urine R/E
- Urine ACR বা Protein-related urine report
- Blood pressure-এর সাম্প্রতিক রেকর্ড
- Blood sugar/HbA1c রিপোর্ট
- Electrolyte রিপোর্ট
- Kidney/Urinary tract ultrasound
- আগের প্রেসক্রিপশন
- বর্তমানে যে ওষুধগুলো গ্রহণ করছেন তার তালিকা
- আগের হাসপাতাল বা ডায়ালাইসিসের রিপোর্ট
তবে কোন পরীক্ষা প্রয়োজন হবে তা রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।
কিডনি ভালো রাখতে কী বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত?
কিডনি রোগ প্রতিরোধ বা অগ্রগতি কমানোর জন্য সবার জন্য একই পরিকল্পনা প্রযোজ্য নয়। রোগীর বয়স, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, CKD-এর পর্যায় এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সাধারণভাবে:
- উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত ওষুধ পরিবর্তন করবেন না।
- কিডনি রোগ থাকলে ওষুধ ও painkiller ব্যবহারের বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
- ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।
- অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ এড়িয়ে চলার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করুন।
- পর্যাপ্ত শারীরিক কার্যক্রম বজায় রাখুন।
- কিডনি রোগের ঝুঁকি থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন।
KDIGO-এর ২০২৪ CKD guideline-এ CKD শনাক্তকরণ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং রোগের অগ্রগতি কমানোর ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে। ২০২৬ সালে KDIGO এই guideline-এর কিছু অংশ নতুন evidence-এর ভিত্তিতে update করার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে।
ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম সম্পর্কে সংক্ষেপে
ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম সুজা নেফ্রোলজি বা কিডনি রোগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে বিভিন্ন প্রকাশিত চিকিৎসক প্রোফাইলে তালিকাভুক্ত। তাঁর যোগ্যতার মধ্যে MBBS, MD (Nephrology), FRCP এবং FASN উল্লেখ রয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের Professor & Head হিসেবেও তাঁর পরিচয় প্রকাশিত হয়েছে।
তাঁর চিকিৎসা-ক্ষেত্রের মধ্যে CKD, কিডনি ফেইলিউর, ডায়ালাইসিস, উচ্চ রক্তচাপ-সম্পর্কিত কিডনি সমস্যা, proteinuria, nephrotic syndrome এবং অন্যান্য নেফ্রোলজি-সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে বলে প্রকাশিত চিকিৎসক প্রোফাইলগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তথ্য
দিনাজপুরের আরও চিকিৎসকের তথ্য জানতে আমাদের অন্যান্য চিকিৎসক বিষয়ক পোস্টগুলো দেখতে পারেন:
- ডাঃ মোঃ ফজলে এলাহী: দিনাজপুরের কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ
- ডাঃ মোঃ মেসবাহ উদ্দিন নোমান: দিনাজপুরের কিডনি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
- ডাঃ মোঃ আসিফ ইকবাল: প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, দিনাজপুর
- ডাঃ মোঃ গোলাম রহমান দুলাল: অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ দিনাজপুর
- ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম – অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন, দিনাজপুর
- দিনাজপুরের অন্যান্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা
Frequently Asked Questions (FAQ)
ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম কোন রোগের বিশেষজ্ঞ?
ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম সুজা নেফ্রোলজি বা কিডনি রোগের বিশেষজ্ঞ। তাঁর প্রকাশিত প্রোফাইলে CKD, কিডনি ফেইলিউর, ডায়ালাইসিস, উচ্চ রক্তচাপ-সম্পর্কিত কিডনি সমস্যা, nephrotic syndrome ও অন্যান্য কিডনি রোগের চিকিৎসার কথা উল্লেখ রয়েছে।
ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম কোথায় রোগী দেখেন?
বর্তমান প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী তিনি রংপুরের Popular Diagnostic Centre-এ চেম্বার করেন। দিনাজপুরের স্থানীয় তালিকায় যমুনা ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সের তথ্যও পাওয়া যায়। চেম্বারের সময় পরিবর্তন হতে পারে বলে যাওয়ার আগে ফোন করে নিশ্চিত করা উচিত।
দিনাজপুরে তাঁর চেম্বারের ঠিকানা কী?
স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী তাঁর দিনাজপুরের চেম্বার যমুনা ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন, দিনাজপুর।
ডাঃ মোবাশ্বের আলমের সিরিয়াল নম্বর কী?
দিনাজপুরের প্রকাশিত তালিকায় ০১৮১৭-৫১৭৯৭১ এবং ০৫৩১-৬২৯৮৯ নম্বর দেওয়া হয়েছে। তবে নম্বর বা চেম্বার ব্যবস্থাপনা পরিবর্তিত হতে পারে, তাই অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে যাচাই করা ভালো।
কিডনি রোগের জন্য কখন নেফ্রোলজিস্ট দেখানো উচিত?
কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, প্রস্রাবে প্রোটিন, বারবার কিডনি-সংক্রান্ত অস্বাভাবিক রিপোর্ট, দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের সঙ্গে কিডনি সমস্যা, শরীরে অস্বাভাবিক ফোলা কিংবা কিডনি ফেইলিউরের মতো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে। কোন ক্ষেত্রে নেফ্রোলজিস্ট প্রয়োজন তা রোগীর অবস্থা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়।
ডায়ালাইসিস কি সব কিডনি রোগীর প্রয়োজন হয়?
না। সব কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হয় না। কিডনির কার্যক্ষমতা, উপসর্গ, রক্তে বর্জ্য ও electrolyte-এর পরিবর্তন এবং সামগ্রিক clinical condition বিবেচনা করে চিকিৎসক ডায়ালাইসিসের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করেন।
কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে কি উপসর্গ থাকে?
অনেক ক্ষেত্রে থাকে না। CKD-এর প্রাথমিক পর্যায় নীরবে এগোতে পারে। এজন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিডনি ফাংশন ও প্রস্রাবের পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
উপসংহার
ডাঃ এ বি এম মোবাশ্বের আলম সুজা একজন নেফ্রোলজি বিশেষজ্ঞ, যাঁর প্রকাশিত যোগ্যতার মধ্যে MBBS, MD (Nephrology), FRCP ও FASN রয়েছে এবং তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের Professor & Head হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
দিনাজপুরে তাঁর চেম্বার-সংক্রান্ত তথ্য বিভিন্ন স্থানীয় উৎসে পাওয়া গেলেও চিকিৎসকের সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে। তাই রোগী দেখাতে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট চেম্বারে ফোন করে বর্তমান সময়, সিরিয়াল ও চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করা সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।
নোট: এই লেখাটি তথ্যগত উদ্দেশ্যে তৈরি। কোনো রোগের লক্ষণ, রিপোর্ট বা চিকিৎসা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।