দিনাজপুরের সুখসাগর
admin 10/30/2024 No Comments

দিনাজপুরের সুখসাগর: প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপার সম্ভার বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত দিনাজপুর জেলা তার ইতিহাস ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। এর একটি অনন্য নিদর্শন হল সুখসাগর। এ বিশাল জলাধারটি দিনাজপুর শহরের কাছাকাছি অবস্থিত এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব নিদর্শন হিসাবে স্থানীয় এবং ভ্রমণপিপাসুদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। সুখসাগরের ইতিহাস সুখসাগর একটি ঐতিহাসিক স্থান, যার সাথে মিশে আছে শতাব্দী প্রাচীন কাহিনী। ধারণা করা হয় যে স্থানীয় রাজা সুখদেবের নির্দেশে এই জলাশয়টি খনন করা হয়েছিল। তিনি এ অঞ্চলের মানুষের পানির চাহিদা মেটানোর জন্য এই বৃহৎ জলাশয়টি তৈরি করেছিলেন। সুখসাগর নামটিও এসেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের সুখ ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে। বছরের পর বছর ধরে সুখসাগর শুধু পানির উৎস হিসেবেই নয় বরং স্থানীয় উৎসব ও সামাজিক অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কারণে এটি স্থানীয়দের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তবে পর্যটন মানচিত্রে এটি এখনো তুলনামূলকভাবে অজানা রয়ে গেছে। সুখসাগরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সুখসাগর বিশাল জলরাশির মধ্যে এক অপরূপ শান্তি এনে দেয়। চারপাশে
Read Moreদিনাজপুরের নয়াবাদ মসজিদ এক ঐতিহাসিক স্থাপত্যের সাক্ষী
admin 10/30/2024 No Comments
দিনাজপুরের নয়াবাদ মসজিদ,দিনাজপুর জেলার নয়াবাদ গ্রামে অবস্থিত নয়াবাদ মসজিদ একটি ইতিহাস ও স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন। মুঘল আমলের স্থাপত্যশৈলীর অনুপ্রেরণায় গড়ে ওঠা এই মসজিদটি প্রায় ১৭৯৩ সালে নির্মিত হয়েছিল। এর সৌন্দর্য, ঐতিহ্য এবং আধ্যাত্মিক গুরুত্ব এখনও মানুষকে আকৃষ্ট করে আসছে। যারা ইতিহাস ও স্থাপত্যের প্রতি অনুরাগী, তাদের জন্য নয়াবাদ মসজিদ এক অপরিহার্য গন্তব্য। মসজিদের ইতিহাসের ছোঁয়া নয়াবাদ মসজিদটি দিনাজপুরের জমিদারদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল এবং তখনকার সময়ের স্থানীয় সমাজব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। মুঘল সম্রাট শুজা-উদ-দীন মুহাম্মদ খানের শাসনামলে এই মসজিদ নির্মিত হয়, যা প্রায় আঠারো শতকের শেষের দিকে গড়ে ওঠে। এই সময়ে নয়াবাদ গ্রামটি ছিল একটি উন্নত এলাকা, এবং মসজিদটি গ্রামবাসীদের জন্য নামাজ পড়ার ও সামাজিক জমায়েতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত হত। যদিও সময়ের সাথে সাথে মসজিদটির প্রাথমিক প্রাসাদগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে, মসজিদটি এখনো তার গৌরবময় অতীতের সাক্ষ্য বহন করে আসছে। এটি স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র হিসাবে বিবেচিত হয় এবং বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে এটি বিশেষ তাৎপর্য
Read Moreপার্বতীপুর উত্তর পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারণ প্রকল্প:
Sagar Kumar Kundu 10/30/2024 No Comments

পার্বতীপুর মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত একটি সরকারি মৎস্য খামার। এটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয় এবং মৎস্য বীজ উৎপাদনে বিশেষভাবে নিবেদিত।উত্তর পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারণ প্রকল্পের শুরু ২০১৫ সালে, এর উদ্দেশ্য হল স্থানীয় জনগণের জন্য টেকসই মৎস্য উৎপাদনের উন্নয়ন এবং তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন। এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পটি বিভিন্ন উপায়ে মৎস্য চাষীদের সহায়তা প্রদান করছে, যার মাধ্যমে তারা আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত পদ্ধতি এবং বাজারের সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন। অবস্থান ও যাতায়েত দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ৩নং রামপুর ইউনিয়নের উত্তর-পশ্চিম মৎস্য সম্প্রসারণ কেন্দ্রটি পার্বতীপুর বাস-টার্মিনাল থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এখানে যাতায়াতের জন্য ভ্যান, রিকশা, অটোরিকশা, বাইসাইকেল এবং মোটরসাইকেল ব্যবহার করা যায়। পুরো মৎস্য খামারটি প্রায় ৫০ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত। খামারের কর্মকর্তাদের থাকার জন্য এখানে কিছু আবাসিক ভবন রয়েছে। কার্যক্রম মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে পরীক্ষামূলকভাবে মৎস্য উৎপাদন করা হয় এবং এখানে বিভিন্ন গবেষণামূলক কার্যক্রমও
Read Moreসুরা মসজিদ: নামাজ আদায়ের একটি পবিত্র স্থান
Nurun Nahar Saju 10/29/2024 No Comments

সরা মসজিদ ভারতের গুজরাট রাজ্যের সুরাট শহরে অবস্থিত একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মসজিদ। এটি সুরাট শহরের পুরোনো স্থাপনাগুলির একটি এবং ঐতিহ্যবাহী মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন। মসজিদটি সুরা (Surat) নামেও পরিচিত, যা ঐ অঞ্চলের নাম থেকেই এসেছে। সুরা মসজিদ দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান। সুরা মসজিদ স্থাপত্যে ইসলামিক ও ভারতীয় স্থাপত্য শৈলীর সংমিশ্রণ রয়েছে, যা ঐতিহাসিকভাবে ভারতের অনেক মুসলিম স্থাপনার সঙ্গে মিলে যায়। সুরা মসজিদ, সুরম্য মসজিদ বা শুজা মসজিদ বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। এটি দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন মসজিদ। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। এই মসজিদে গ্রানাইটসহ নানা মূল্যবান পাথরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। অবস্থান দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে ও ঘোড়াঘাট-হিলি পাকা সড়কে লাগানো প্রাচীন জলাশয়ের পরেই এই মসজিদটি অবস্থিত। বিবরণী মসজিদটি পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা। এর বাইরের মাপ ১২.১২ মি. × ৭.৮৭ মি. এবং প্রধান কক্ষের ভিতরের আয়তন ৪.৮৪ মি. ×
Read Moreপার্বতীপুরের দর্শনীয় স্থান ক্যানেল পার্ক
Sagar Kumar Kundu 10/29/2024 No Comments

বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত ক্যানেল পার্ক একটি চমৎকার পর্যটন কেন্দ্র। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই পার্কটি স্থানীয় পর্যটকদের জন্য একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। এর সুন্দর পরিবেশ, প্রশস্ত লেক, এবং মনোরম প্রকৃতি এখানে আসা মানুষদের জন্য একটি আদর্শ জায়গা তৈরি করেছে। খালটির প্রায় শেষ অংশে রয়েছে পার্বতীপুর-খোলাহাটি-রংপুর সড়ক, যেখানে খালের উপর নির্মিত একটি ব্রীজের মাধ্যমে রাস্তাটি সংযুক্ত হয়েছে। ক্যানেল পার্কের ইতিহাস ক্যানেল পার্কের প্রতিষ্ঠা স্থানীয় সরকার কর্তৃক করা হয়েছিল একটি বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে। এই পার্কটি পার্বতীপুরের নান্দনিকতার এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। স্থানীয় জনগণের জন্য একটি অবকাশের জায়গা হিসাবে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এলাকার সাধারন কৃষকদের সুবিধার্থে কয়েক বছর আগে পার্বতীপুরে এই খাল তৈরি করা হয়েছিল। এটি মূলত তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প কিংবা তিস্তা সেচ প্রকল্পের অধীনে তৈরি করা হয়েছিল। পার্কের সৌন্দর্য ক্যানেল পার্কের মূল আকর্ষণ হলো এর প্রশস্ত লেক, যা চারপাশে ঘেরা সুশোভিত বাগান। লেকে নৌকা ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে, যা পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে উপভোগ করার জন্য চমৎকার। এছাড়াও, এখানে
Read Moreদিনাজপুরের বিখ্যাত খাবার ঐতিহ্যের স্বাদ ও সংস্কৃতি
Sagar Kumar Kundu 10/29/2024 No Comments

বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব কিছু ঐতিহ্যবাহী খাবার রয়েছে, যা সেই অঞ্চলের সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি। এর মধ্যে দিনাজপুর জেলা তার সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। দিনাজপুরের মানুষ তাদের সুস্বাদু খাবার ও মিষ্টির জন্য সারাদেশে খ্যাত। এখানে কিছু ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত খাবারের বর্ণনা দেওয়া হলো যা দিনাজপুরে আসলে অবশ্যই চেখে দেখতে হবে। ১. কাটারিভোগ চালের পোলাও দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল বাংলাদেশ জুড়ে পরিচিত। এই বিশেষ ধরনের চালের ভাত সুগন্ধি, নরম এবং খেতে অতুলনীয়। পোলাও তৈরি করার জন্য এই চালটি ব্যবহৃত হয়, যা একটি বিশেষ স্বাদ ও মাধুর্য প্রদান করে। কাটারিভোগ চালের পোলাও, মাংসের সাথে বা নিরামিষ পোলাও হিসেবেও পরিবেশন করা হয়, এবং এটি স্থানীয় উৎসব ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে প্রচলিত একটি খাবার। ২. কাটারী চিড়া দিনাজপুরের চিঁড়া বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত এবং ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপণ্য, যা সারা দেশে জনপ্রিয়। দিনাজপুর জেলা মূলত কৃষি সমৃদ্ধ এলাকা, এবং এখানকার চিঁড়া তার মসৃণ, পাতলা এবং সুস্বাদু গুণাবলীর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। দিনাজপুরের চিঁড়া তৈরি হয় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ভালো মানের
Read Moreচিরিরবন্দর কাঁকড়া রাবার ড্যাম একটি অসাধারণ প্রকল্প
Sagar Kumar Kundu 10/29/2024 No Comments

বাংলাদেশের জলবায়ু এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে নদী, খাল এবং জলাশয়গুলোতে পানি প্রবাহের সংকট একটি সাধারণ সমস্যা। এ সমস্যা মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প এবং পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হলো “চিরিরবন্দর কাঁকড়া রাবার ড্যাম”। এটি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলায় কাঁকড়া নদীতে অবস্থিত। কাঁকড়া রাবার ড্যাম পরিচিতি কাঁকড়া রাবার ড্যাম প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা এবং জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধান করা। রাবার ড্যামগুলো মূলত কৃত্রিম বাঁধ হিসেবে কাজ করে, যা নদী বা খালের পানিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ধরে রাখতে সাহায্য করে। এই ড্যামগুলি অত্যন্ত নমনীয় এবং সহজে স্থাপন করা যায়, যা তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে কাঁকড়া নদীর ওপর রাবার ড্যাম নির্মাণের ফলে অনাবাদি জমিগুলো রূপান্তরিত হয়েছে আবাদিতে। সেচ সুবিধার আওতায় আসায় লাভবান হচ্ছে নদীর দুই কুলের প্রায় ৫ হাজার কৃষক ও ২ হাজার জেলে পরিবার। এছাড়া কৃষি, মাছ চাষসহ এ প্রকল্পকে ঘিরে তৈরি হয়েছে পর্যটন এলাকা। ২০০১ সালে কাঁকড়া নদীর ওপরে দিনাজপুর এলজিইডি ৮ কোটি
Read Moreদিনাজপুর কিসের জন্য বিখ্যাত একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা
admin 10/29/2024 No Comments

দিনাজপুর কিসের জন্য বিখ্যাত, কান্তজীউ মন্দির (বা কান্তনগর মন্দির) দিনাজপুরের কান্তনগরে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দির, যা বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর এবং বিখ্যাত স্থাপত্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। এই মন্দিরটি ১৮ শতকে নির্মিত হয়েছিল এবং এর মূল আকর্ষণ হলো অসাধারণ টেরাকোটা কারুকার্য। নির্মাণ ও ইতিহাস কান্তজীউ মন্দিরটি রাজা প্রাণনাথ এর আদেশে ১৭০৪ সালে নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং তার পুত্র রাজা রামনাথ ১৭৫২ সালে এটি সম্পন্ন করেন। মন্দিরটি শ্রীকৃষ্ণকে উৎসর্গ করে নির্মিত এবং এর অন্য নাম ‘নবরত্ন মন্দির’। একসময় মন্দিরের চূড়ায় নয়টি শিখর বা রত্ন ছিল, তবে ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে চূড়াগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। স্থাপত্যশৈলী মন্দিরটি তিনতলা বিশিষ্ট এবং চুন-সুরকি ও ইট দিয়ে তৈরি। এর দেয়ালগুলোতে অসাধারণ টেরাকোটা প্যানেল রয়েছে, যেখানে মহাভারত ও রামায়ণের বিভিন্ন কাহিনি এবং লোকজ জীবনচিত্র খোদাই করা আছে। মন্দিরের বাইরের দিকে বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তি, পশু-পাখি এবং ফুলের নকশা খোদাই করা আছে, যা মুগ্ধকর ও বিশদভাবে তৈরি করা হয়েছে। কারুকার্য ও টেরাকোটা কান্তজীউ মন্দিরের প্রধান আকর্ষণ হলো এর টেরাকোটা
Read Moreবীরগঞ্জ সুইচগেট: দিনাজপুরের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার প্রাণভোমরা
admin 10/29/2024 No Comments

দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বীরগঞ্জ সুইচগেট এলাকাটির কৃষি ও সেচব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা। এই সুইচগেটটি শুধু একটি প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নয়, এটি স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বীরগঞ্জ ও আশেপাশের এলাকার কৃষি নির্ভর অর্থনীতির জন্য এই সুইচগেট একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। সুইচগেটের ভূমিকা বীরগঞ্জ সুইচগেটটি মূলত পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নির্মিত হয়েছে। এটি জলধারণ এবং সেচের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, যা শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের সময় এই সুইচগেট পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাহায্য করে। অঞ্চলটির প্রধান নদী ও জলাধার থেকে পানি নিয়ন্ত্রণ করা হয় এই সুইচগেটের মাধ্যমে। এই পানি পরে কৃষিক্ষেত্রে সরবরাহ করা হয়, যা ধান, গম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে বড় ভূমিকা পালন করে। সঠিকভাবে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ফলে জমিতে আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। কৃষির ওপর প্রভাব বীরগঞ্জ ও এর আশেপাশের এলাকা মূলত কৃষি নির্ভর। এখানকার অধিকাংশ মানুষ
Read Moreচিরিরবন্দর উপজেলা ক্যাম্পাস শিশু পার্ক
Sagar Kumar Kundu 10/29/2024 No Comments

চিরিরবন্দর উপজেলা ক্যাম্পাস শিশু পার্ক, চিরিরবন্দর, দিনাজপুর জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা, যা তার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। এই উপজেলার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত চিরিরবন্দর উপজেলা ক্যাম্পাস শিশু পার্ক একটি চমৎকার বিনোদনের স্থান, যা শিশু থেকে শুরু করে বড়দের জন্যও আনন্দের এক অসাধারণ জায়গা। পার্কটি তার প্রশস্ত স্থান, সবুজ গাছপালা, এবং মনোমুগ্ধকর পরিবেশের জন্য স্থানীয়দের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পার্কের অবস্থান এবং পৌঁছানো চিরিরবন্দর উপজেলা ক্যাম্পাসের ভেতরেই শিশু পার্কটি অবস্থিত। এই পার্কটি উপজেলা সদর থেকে খুব সহজেই পৌঁছানো যায়, যা একে স্থানীয় বাসিন্দা এবং দূরবর্তী পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে তুলেছে। আশেপাশের এলাকার মানুষ এখানে নিয়মিত আসেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। পার্কের বৈশিষ্ট্য চিরিরবন্দর উপজেলা ক্যাম্পাস শিশু পার্ক তার নামের মতোই মূলত শিশুদের জন্য তৈরি একটি বিনোদনকেন্দ্র। তবে সব বয়সী মানুষ এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। পার্কটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো: খোলামেলা পরিবেশ: পার্কের পুরো এলাকা সবুজ গাছপালা দ্বারা ঘেরা, যা একটি শান্তিপূর্ণ এবং আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করে। এটি শহুরে ব্যস্ত
Read More